চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে রিমন (১৯) নামে এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (৫ জুলাই) সকালে উপজেলার রূপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের চরমুঘুয়া গ্রামের একটি বসতঘর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত রিমন ওই গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে এবং বাড়িটি প্রতিবেশী নুর পাটওয়ারী পরিবারের।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রিমনের মা ফতেমা বেগম প্রায় দেড় বছর আগে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। বাবা আবুল কাশেমের মৃত্যুর পর রিমন বখাটেদের সঙ্গে মিশে গভীর রাতে বাড়ি ফিরতো। মা শাসন করলে উল্টো গালমন্দ ও শারীরিক নির্যাতন করত বলেও অভিযোগ রয়েছে।

ফতেমা বেগম বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার রাতে এক প্রতিবেশীর মাধ্যমে রিমনের খোঁজ নিয়েছিলাম। তিনি বলেছিলেন, রিমন স্থানীয় বাজারে গেছে। এরপর আর কোনো খবর পাইনি।’

রিমনের চাচা এমরান হোসেন লিটন জানান, আজ রোববার সকালে প্রতিবেশী নুর পাটওয়ারীর ঘর থেকে দুর্গন্ধ পেলে তিনি স্থানীয়দের নিয়ে বসতঘরের জানালা খোলেন। ভেতরে রিমন আড়ার সঙ্গে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলছে দেখেই ৯৯৯ ফোন করেন। পরে পুলিশ এসে মরদেহ নিয়ে যায়।

ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ্ বলেন, রিমনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি রহস্যজনক, ঘটনার কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত চলছে। পরবর্তি আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।