ফরিদগঞ্জের রূপসা উত্তর ইউনিয়নের গাব্দেরগাঁও গ্রামের আবদুর রহমান মৃধা ওয়াকফ এস্টেট জামে মসজিদে মুয়াজ্জিন ও ইমামকে মারধর এবং মসজিদে তালা দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার আগে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে মসজিদের তালা খুলে দেয়। ভুক্তভোগী মুয়াজ্জিন শফি উল্লাহ ভূঁইয়া অভিযোগ করেন, আসরের আজান শেষ করার পর স্থানীয় বাচ্চু মৃধা তার ওপর হামলা চালিয়ে গলা চেপে ধরে মারধর করেন। একপর্যায়ে ধারালো দা হাতে তাকে কোপানোর উদ্দেশ্যে তেড়ে আসেন। মসজিদের ইমাম ইমরান হোসাইন বলেন, ওয়াকফ সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে বাচ্চু মৃধা আগেও মুয়াজ্জিনকে হুমকি দিয়েছিলেন। ঘটনার সময় বাধা দিতে গেলে তাকেও মারধর করা হয়। স্থানীয় মুসল্লি আমির হোসেন জানান, তিনি ও ইমাম মুয়াজ্জিনকে রক্ষা করতে গেলে বাচ্চু মৃধা তাদেরও মারধর করেন এবং পরে মসজিদের মূল ফটকে তালা লাগিয়ে চলে যান। মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান মৃধা বলেন, ওয়াকফ সম্পত্তি নিয়ে বাচ্চু মৃধা দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ সৃষ্টি করছেন। এ বিষয়ে করা পাঁচটি মামলার মধ্যে তিনটির রায় মসজিদের পক্ষে এসেছে, দুটি বিচারাধীন। তবে অভিযুক্ত বাচ্চু মৃধা মুঠোফোনে সব অভিযোগ অস্বীকার করে ঘটনাকে ‘সাজানো ও বানোয়াট’ দাবি করেছেন। ওসি মোহাম্মদ এরশাদ উল্ল্যাহ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং মসজিদের তালা খুলে দেয়। যেহেতু বিষয়টি দেওয়ানি আদালতে বিচারাধীন, তাই উভয়পক্ষকে শান্ত থেকে আইনকে সহায়তা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।








