ফরিদপুরের ভাঙ্গায় এক কিশোরীকে অপহরণের পর ধর্ষণে প্রধান আসামি ফরহাদ হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন।

এদিকে মধুপুরে এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণে তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা জজ আনম ইলিয়াস এ রায় দেন।

২০২১ সালের ২৯ মে ভাঙ্গায় বাজারে বাবার দোকানে যাওয়ার পথে ভিকটিমকে ফরহাদ হোসেন ও তার সহযোগীরা অপহরণ করে। এ ঘটনার পর ভিকটিমের বাবা ভাঙ্গা থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট ওমরাও খান দিপু জানিয়েছেন, ২০২৩ সালের ২২ জুন বিয়ের পাত্রী দেখানোর প্রলোভনে ভিকটিমকে জামালপুর থেকে টাঙ্গাইলের মধুপুরের দোখোলা বনাঞ্চলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রথমে এক আসামি এবং পরে অপর দুই আসামি তাকে ধর্ষণ করে।

আদালত প্রধান আসামি আ. রহিমকে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং ভিন্ন ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে অতিরিক্ত কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

অপর দুই আসামি শফিকুল ইসলাম শফি ও সামছুল হক সামছুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।