ফরিদপুরে পদ্মার ভাঙনে নদীতে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি। তীব্র ভাঙনে ইতোমধ্যে অন্তত আট একর ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কমিউনিটি ক্লিনিক ও মসজিদ। দুই সপ্তাহ আগে শুরু হওয়া এ ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। তবে রোববার থেকে পাউবো ভাঙনকবলিত স্থানে বালুভর্তি বস্তা ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা করছেন। স্থানীয়রা জানায়, সদর উপজেলার নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের কবির মোল্লার বাড়ি থেকে দক্ষিণে মৃধাডাঙ্গী এলাকার আলেপ খাঁর বাড়ি পর্যন্ত এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে এ ভাঙন চলছে। ভাঙনের মুখে বসতভিটার বাড়িঘর সরিয়ে নিচ্ছেন এলাকাবাসী। অপরিপক্ব ফসল কাটতে হচ্ছে কৃষকদের। ভাঙনকবলিত এলাকা থেকে অন্তত একশ মিটার দূরে অবস্থিত তিনটি স্থাপনা ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে। কৃষক শাহাবুদ্দিন শেখ তার পাকা ভিতের বাড়ি ভেঙে সরিয়ে নিয়েছেন। ঝুঁকিতে থাকা চর টেপুরা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুকান্ত ঘোষ বলেন, এ ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বিদ্যালয়টি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। ইউএনও মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড ভাঙন এলাকায় বালুভর্তি বস্তা ফেলার কাজ শুরু করেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিব হোসেন বলেন, প্রতি বর্ষায় এ ভাঙন দেখা দেয়। এ ভাঙনের স্থায়ী সমাধানে নদীর পাড়ের তিন কিলোমিটার অংশে ব্লক স্থাপন করা হবে। তবে সেটি সময়সাপেক্ষ।