বিদেশি বিনিয়োগকারী ও দেশীয় ব্যবসায়ীদের সুপারিশে ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং খাতের লাইসেন্স নবায়ন নীতিতে পরিবর্তনের পথে হাঁটছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। নতুন বিধিমালায় এমন বিধান রাখা হচ্ছে যাতে আগে থেকেই বৈধভাবে পরিচালিত শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো লাইসেন্স নবায়নের সুযোগ পায় ও দীর্ঘদিনের আইনি অনিশ্চয়তার অবসান ঘটে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এর ফলে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগে আগ্রহী হবেন ও বিনিয়োগ পরিবেশ আরও উন্নত হবে।
ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এসব প্রতিষ্ঠান রপ্তানি ও আমদানি পণ্যের আন্তর্জাতিক পরিবহন, কাস্টমস প্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টেশন এবং শিপমেন্ট ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে। ফলে বৈদেশিক বাণিজ্য সহজ, দ্রুত ও সাশ্রয়ী হয়।
এনবিআর সূত্রে জানা যায়, খসড়া ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার্স রুলস, ২০২৫ নিয়ে দেশি-বিদেশি অংশীজনের মতামত পর্যালোচনায় পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত বিধিমালা প্রণয়ন করা হবে।
জাগো নিউজের হাতে আসা নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স নবায়ন নীতিতে পরিবর্তন আনতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ), ডেনমার্ক দূতাবাস ও কয়েকটি বাণিজ্য সংগঠনের সুপারিশে দীর্ঘদিনের নীতিগত অনিশ্চয়তা দূর করতে বিধিমালায় পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে এরই মধ্যে পাঁচ সদস্যের একটি পর্যালোচনা কমিটি গঠন করেছে এনবিআর।
গত ২০ জুলাই এনবিআরের দ্বিতীয় সচিব মো. শাহাদাত জামিলের সই করা অফিস আদেশ সূত্রে জানা যায়, খসড়া ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার্স রুলস, ২০২৫ নিয়ে দেশি-বিদেশি অংশীজনের মতামত পর্যালোচনায় পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে হালনাগাদ সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দিতে বলা হয়েছে। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত বিধিমালা প্রণয়ন করা হবে।
বর্তমানে দেশে প্রায় এক হাজার ২৬০টি লাইসেন্সধারী ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ২০ থেকে ৩০টি বিদেশি বা বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক শিপিং লাইন এবং বৈশ্বিক ক্রেতাদের সঙ্গে সরাসরি কাজ করছে।
প্রথম সচিব মিলন শেখকে (শুল্ক অব্যাহতি ও প্রকল্প সুবিধা) আহ্বায়ক করে ৫ সদস্যের কমিটি করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন- এনবিআর সদস্য (কাস্টমস নীতি) মো. তারেক হাসান, অতিরিক্ত কমিশনার মহিববুর রহমান ভুঁইয়া, দ্বিতীয় সচিব (কাস্টমস মূল্যায়ন) জোবায়দা খানম। এছাড়া দ্বিতীয় সচিব (কাস্টমস মামলা ও বিরোধ নিষ্পত্তি) মো. শাহাদাত জামিলকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।
বর্তমানে দেশে প্রায় এক হাজার ২৬০টি লাইসেন্সধারী ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ২০ থেকে ৩০টি বিদেশি বা বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক শিপিং লাইন এবং বৈশ্বিক ক্রেতাদের সঙ্গে সরাসরি কাজ করছে।
আরও পড়ুন
বাণিজ্যিক সংগঠনের সদস্যপদ পেতে পিএসআর লাগবে
জটিলতার সূত্রপাত হয় খসড়া ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার্স রুলস, ২০২৫ প্রকাশের পর। সেখানে ২০০৮ সালের বিধিমালার আওতায় অনুমোদন পাওয়া শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স নবায়নের বিষয়ে কোনো স্পষ্ট বিধান রাখা হয়নি। এতে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয় এবং ইউরোপীয় ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো আশঙ্কা প্রকাশ করে, এই অস্পষ্টতা ভবিষ্যতে প্রশাসনিক জটিলতা ও আইনি বিরোধের কারণ হতে পারে।
বিষয়টি পরে কূটনৈতিক পর্যায়েও গুরুত্ব পায়। বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত, ডেনমার্ক দূতাবাস এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (ইউরোচ্যাম) পৃথকভাবে এনবিআর চেয়ারম্যানের কাছে চিঠি দিয়ে লাইসেন্স নবায়নের বিধান স্পষ্ট করার আহ্বান জানায়।
গত ৬ জুলাই ইইউর রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার তার চিঠিতে উল্লেখ করেন, বিষয়টি ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোর জন্য একটি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বাণিজ্যিক ইস্যু। লাইসেন্স নবায়নের নীতিগত অনিশ্চয়তা দূর হলে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে ইতিবাচক বার্তা যাবে এবং বাংলাদেশে ইউরোপীয় বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে সহায়ক হবে।
এনবিআর চেয়ারম্যান আহসান হাবিবকে পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়, এ বিষয়ে দ্রুত ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান। ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত ও বাংলাদেশে ইইউ প্রতিনিধিদলের প্রধান মাইকেল মিলার তার চিঠিতে খসড়া ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার্স রুলস ২০২৫-এ শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স নবায়নের বিধান স্পষ্ট করার আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন
ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য ২০২৬-২৭ করবর্ষের ই-রিটার্ন সেবা চালু
এছাড়া ডেনমার্ক দূতাবাসের ৩০ জুন চিঠিতে বলা হয়েছে, ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার্স রুলস ২০০৮ অনুযায়ী শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারত। এসব চিঠিতে বলা হয়, ২০১৫ সালের সংশোধনের মাধ্যমে বিদেশি মালিকানার ওপর সীমা আরোপ করা হলেও, আগে থেকেই কার্যরত শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স নবায়নের বিষয়ে কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। ফলে দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন বিদেশি প্রতিষ্ঠান এ বিষয়ে এনবিআরের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে এবং বিষয়টি আদালতেও গড়িয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। খসড়া ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার্স রুলস ২০২৫ এ আগের লাইসেন্সধারীদের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার কথা বলা হলেও, লাইসেন্স নবায়নের শর্ত স্পষ্ট নয় বলে জানায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
ডেনমার্ক দূতাবাস এনবিআরকে অনুরোধ করেছে, ২০০৮ সালের বিধিমালার আওতায় বৈধভাবে প্রতিষ্ঠিত শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন আবেদনকারীদের জন্য প্রযোজ্য শর্ত প্রয়োগ ছাড়াই আগের মতো লাইসেন্স নবায়ন করতে পারবে কি না—তা স্পষ্টভাবে বিধিমালায় উল্লেখ করতে। তাদের মতে, এ ধরনের স্পষ্টীকরণ বিদ্যমান বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াবে, নতুন বিনিয়োগ উৎসাহিত করবে, ভবিষ্যৎ বিরোধ কমাবে এবং বাংলাদেশকে বিনিয়োগবান্ধব দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে।
চিঠিগুলোতে আরও বলা হয়েছে, বিষয়টি বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে চলমান নন-ট্যারিফ ট্রেড ব্যারিয়ার সংক্রান্ত আলোচনারও একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু।
গত ২৯ জুন ইউরোচ্যাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারপারসন নুরিয়া লোপেজ এ বিষয়ে এনবিআর চেয়ারম্যানকে চিঠি পাঠান। এতে সংগঠনটি শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন ফরওয়ার্ডিং প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স নবায়ন নিয়ে উদ্বেগ জানায়। প্রস্তাবিত ‘ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার্স বিধিমালা, ২০২৫’-এ শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং প্রতিষ্ঠানগুলোর লাইসেন্স নবায়ন সংক্রান্ত স্পষ্ট নীতিমালার দাবি জানিয়েছে ইউরোচ্যাম।
আরও পড়ুন
ব্যবসায়িক হিসাব / বিআইএন বাধ্যতামূলকে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতা চাইল এনবিআর
চিঠিতে সংগঠনটি জানায়, ২০০৮ সালের বিধিমালা অনুযায়ী শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার সুযোগ থাকলেও ২০১৫ সালের সংশোধনীতে বিদেশিদের মালিকানার ওপর সীমা আরোপ করা হয়। এতে আগের নিয়মে বৈধভাবে স্থাপিত বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর লাইসেন্স পরবর্তীতে কীভাবে নবায়ন হবে, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অস্পষ্টতা ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
প্রস্তাবিত ২০২৫ সালের নতুন বিধিমালার ২৮(২) ধারায় বিদ্যমান এজেন্টদের ধারাবাহিকতার কথা বলা হলেও পুরোনো বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর একই শর্তে লাইসেন্স নবায়নের সুযোগ থাকবে কি না- সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলা হয়নি। বিদেশি বিনিয়োগ বজায় রাখতে আইনি ধারাবাহিকতা ও স্পষ্টতার ওপর জোর দিয়েছে ইউরোচ্যাম।
সংস্থাটি এনবিআরের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে যেন ২০০৮ সালের বিধিমালা অনুযায়ী অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলোর লাইসেন্স যেন নতুন শর্তাবলি বা ভূতাপেক্ষ প্রভাব ছাড়াই স্বাভাবিক নিয়মে নবায়ন করা হয়। এছাড়া ২৯ জুন প্রস্তাবিত ‘ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার্স (লাইসেন্সিং ও কার্য পরিচালনা) বিধিমালা, ২০২৫’-এর বিভিন্ন ধারা ও উপ-ধারা নিয়ে এনবিআর চেয়ারম্যানের কাছে মতামত ও সংশোধনী পাঠিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।
বিজিএমইএ জানায়, আমদানি করা পণ্যের ট্রান্সপোর্ট ডকুমেন্টে ফ্রেইট প্রিপেয়ার্ড লেখা থাকলে গন্তব্যস্থলের সিএফএস বা কন্টেইনার ইয়ার্ড পর্যন্ত পণ্য পৌঁছানো ও খালাসের ক্ষেত্রে ফরওয়ার্ডাররা অতিরিক্ত কোনো অর্থ দাবি করতে পারবে না। বকেয়া পাওনার অজুহাতে বা কোনো বিরোধ দেখা দিলে দেশীয় আমদানিকারকদের ফ্রেইট প্রিপেয়ার্ড চালানের পণ্য খালাস বা ডেলিভারি বন্ধ রাখা যাবে না।
সংগঠনটি আরও জানায়, বর্তমানে বিল অব ল্যাডিংয়ে উল্লিখিত এজেন্টের পরিবর্তে অন্য এজেন্ট আইজিএম দাখিল করার ফলে আমদানিকারকদের অনাপত্তি পত্রের জন্য একাধিক এজেন্টের দুয়ারে ঘুরতে হয়। ওয়ান-স্টপ সার্ভিস নিশ্চিতের মাধ্যমে সরাসরি নির্ধারিত ডেলিভারি এজেন্টের কাছ থেকে চালান খালাসের সুযোগ চালুর দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি।
আরও জানানো হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন নির্দেশিকা অনুযায়ী ফরেন প্রিন্সিপালস এর কাছ থেকে অর্জিত কমিশন ও সার্ভিস চার্জের বৈদেশিক মুদ্রা সঠিকভাবে দেশে ফেরত আনার নিয়ম নিশ্চিত করতে আইন কঠোর করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। রাজস্ব আহরণ ও কর ফাঁকি ঠেকাতে লাইসেন্স নবায়নের আবেদনের সঙ্গে আয়কর আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট অর্থ বছরের আইজিএম/ইজিএম এর তালিকা এবং উৎসে কর কর্তনের প্রমাণপত্র দাখিল বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
আরও পড়ুন
শিল্প ভালো না হলে অর্থনীতি শক্তিশালী হবে না: অর্থমন্ত্রী
এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনবিআরের শীর্ষ কর্মকর্তা জাগো নিউজকে বলেন, খসড়া বিধিমালা প্রকাশের পর বিভিন্ন অংশীজনের কাছ থেকে মতামত পাওয়া গেছে। সেগুলো পর্যালোচনার জন্য পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সংগঠনগুলো এই অবস্থার অবসানে নতুন বিধিমালায় ‘গ্র্যান্ডফাদারিং’ ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছে। তাদের দাবি, ২০০৮ সালের বিধিমালার আওতায় অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগের শর্তেই লাইসেন্স নবায়নের সুযোগ দিতে হবে। কারণ নতুন বিধান অতীত থেকে কার্যকর করা হলে তা বিনিয়োগ সুরক্ষার নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন বিধিমালায় এই ধরনের সুরক্ষা যুক্ত হলে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে, পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় আইনি বিরোধও এড়ানো সম্ভব হবে।
তবে নতুন করে শতভাগ বিদেশি মালিকানার সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে আপত্তি রয়েছে দেশীয় উদ্যোক্তাদের একটি অংশের।
আরও পড়ুন
সংসদে অর্থমন্ত্রী / রাজস্ব আদায় ৪ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা, কাস্টমসে ১৭০২ মামলা
বাংলাদেশ ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাফা) সাবেক সহ-সভাপতি নুরুল আমিনের মতে আগে থেকেই বৈধভাবে পরিচালিত বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর লাইসেন্স নবায়নে আপত্তির কোনো কারণ নেই।
জাগো নিউজকে তিনি বলেন, ‘নতুন করে এই খাত শতভাগ বিদেশি মালিকানার জন্য উন্মুক্ত করার প্রয়োজন নেই। এখন দেশেই পর্যাপ্ত দেশীয় উদ্যোক্তা ও দক্ষ জনবল রয়েছে।’
বিজিএমইএর ভারপ্রাপ্ত সচিব মেজর জাগো নিউজকে মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘খসড়া বিধিমালায় একাধিক সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছি। এসব পরিবর্তন হলে রপ্তানি বাণিজ্যে জটিলতা কমবে এবং ব্যবসায়ীদের হয়রানিও কমবে।’
এসএম/এমআইএইচএস/








