জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেছেন, বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে প্রশাসনের বিভিন্ন সময়ে যারা প্রকাশ্যে ফ্যাসিস্ট সরকারকে দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য কাজ করেছেন, তাদের চিহ্নিত করার জন্য সরকারের বিভিন্ন তদন্ত সংস্থার কাজ চলমান আছে। চিহ্নিত করার পর তাদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের আছে।
আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠিত হয়।
গাইবান্ধা-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল করিমের প্রশ্নের জবাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী বলেন, মাঠপর্যায়ে যে সকল কর্মকর্তাদের নৈতিক স্খলনজনিত বিষয় দৃষ্টিগোচর হলে তাদের বিরুদ্ধে সাময়িক বরখাস্ত করাসহ যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় এবং বিভাগীয় মামলা রুজুক্রমে শাস্তি দেওয়া হয়। এই নৈতিক স্খলন ও শাস্তির তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার ডোসিয়ারে সংরক্ষণ করা হয়। পদোন্নতি ও পদায়নের ক্ষেত্রে এ সকল বিষয় বিবেচনা করা হয়।
আব্দুল বারী আরও বলেন, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা ও তদন্ত অনুবিভাগ হতে বিভাগীয় পর্যায়ে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শৃঙ্খলা-বিষয়ক সচেতনতা তৈরি এবং নৈতিক পদস্খলনের পরিণতি সম্পর্কে অবহিতকরণের লক্ষ্যে ৬টি বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের মাধ্যমে ১৮০জন কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলতি অর্থবছরে এ ধরনের ৮টি প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের কর্মকর্তাদের জন্য আবশ্যিক/বাধ্যতামূলক প্রতিটি কোর্সে দুর্নীতি প্রতিরোধ, নৈতিকতা ও শিষ্টাচার সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।








