প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের মামলায় সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) কোতোয়ালি মডেল থানার সহকারী কমিশনার (এসি) সোহেল উদ্দিনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (১ জুলাই) ঢাকা মহানগর হাকিম আদালত-১৫ এর বিচারক নাজনীন আক্তার তার জামিন আবেদন নাকচ করে এ আদেশ দেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মুসলেহ উদ্দিন জসিম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের মামলায় আদালত সোহেল উদ্দিনের জামিন বাতিল করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের মামলায় আগে জামিনে ছিলেন সোহেল উদ্দিন। গত মাসে মামলাটির বিচার শুরু হয়। বুধবার মামলাটির কার্যক্রম চলাকালে তার পক্ষে জামিন আবেদন করা হলেও আদালত তা নামঞ্জুর করেন। একই দিনে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা আরও দুটি মামলার বিচার কার্যক্রম শুরুর তারিখ নির্ধারিত ছিল।
মামলার নথি অনুযায়ী, চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা সোহেল উদ্দিন ২০১৭ সালে ৩৬তম বিসিএসের মাধ্যমে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে চাকরিতে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি এসএমপির কোতোয়ালি মডেল থানায় সহকারী পুলিশ কমিশনার হিসেবে কর্মরত।
মামলার নথি সূত্রে জানা গেছে, সোহেল একের পর এক নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেন। ২০১৯ সালে ফেসবুকে বগুড়ার গাবতলীর হামিদপুরের (মন্ডলবাড়ি) জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে রিফাত জাহান স্নিগ্ধার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। ২০২০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকার যমুনা ফিউচার পার্কে স্নিগ্ধার সঙ্গে তিনি সাক্ষাৎ করেন এবং ২০২২ সালের ৩০ এপ্রিল ৩ লাখ টাকা মোহরানায় তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছু দিন পরে স্নিগ্ধা জানতে পারেন, সোহেল ইতঃপূর্বে আমিনা কিবরিয়া মিশু নামের এক নারীকে বিয়ে করেছেন।
এক পর্যায়ে সোহেল ও স্নিগ্ধার মাঝে এ নিয়ে ঝামেলা তৈরি হয়। পরবর্তীতে যৌতুক দাবি, নির্যাতন, প্রতারণাসহ নানান অভিযোগে স্নিগ্ধা বাদী হয়ে সোহেলের বিরুদ্ধে ৪টি মামলা করেন।
এছাড়াও ঢাকার শাহজাহানপুরের মোশাররফ হোসেনের মেয়ে সহকারী কর কমিশনার (বর্তমানে সাময়িক বরখাস্ত) মোসা. তানজিনা সাথী বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে অন্য আরেকটি মামলা করেন।
আহমেদ জামিল/কেএইচকে/জেআইএম








