সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে ২০২৩ সালের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের প্রার্থীদের ফল কোটার পরিবর্তে মেধার ভিত্তিতে প্রকাশের রায় দিয়েছেন আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে এ মামলার ১৫১ জন রিটকারীকে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে আইন অনুযায়ী নিয়োগ দেওয়ার এবং ইতোমধ্যে নিয়োগ পাওয়া ৬ হাজার ৫৩১ জনের নিয়োগ বহাল রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের ৪৬ হাজার ১৯৯ জন প্রার্থীর ফল পুনরায় প্রকাশ করতে বলা হয়েছে। আগের ৮৪ শতাংশ কোটার পরিবর্তে সুপ্রিম কোর্টের কোটা সংস্কার সংক্রান্ত মামলার রায়ের আলোকে ৯৩ শতাংশ মেধার ভিত্তিতে এ ফল নতুন করে মূল্যায়ন করতে হবে। রায়ের পর অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ১৫১ জন রিটকারী প্রার্থী সরাসরি বা ঢালাওভাবে নিয়োগ পাবেন না। আদালত তাদের নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্যতা বিবেচনার নির্দেশনা দিয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, এ কথা সত্যি যে, আগে ১৫১ জনকে চাকরি দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল।