নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) উপজেলার কাটাপিটানিয়া গ্রামের স্ত্রীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ তুলে সজল কুমার দেউরী নামে এক গার্মেন্টকর্মী আত্মহত্যা করেছে। এ ঘটনায় কথিত পরকীয়া প্রেমিক কলেজছাত্র শোভন হালদারের পরিবারকে ভয়ভীতি দেখিয়ে একটি চক্র চাঁদাবাজি শুরু করেছে। শোভন বেপারীর বাবা ভূপাল বেপারী অভিযোগ করেন, সজল দেউরী আত্মহত্যা করার পরে পুলিশ ও সাংবাদিকদের হয়রানি থেকে রক্ষা করার কথা বলে স্থানীয় লিটন নামে এক ব্যক্তিকে চল্লিশ হাজার টাকার একটি চেক নিয়েছেন। তবে লিটন এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি চেক নেয়নি। লিটন দাবি করেন একদল লোক সাংবাদিক পরিচয়ে শোভনদের বাড়ি গেলে তাকে মধ্যস্থা করতে তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন।
সজল কুমার দেউরী উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের কাটাপিটানিয়া গ্রামের স্বপন কুমার দেউরীর ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার একটি গার্মেন্টে কাটিং মাস্টার হিসাবে কর্মরত ছিলেন। তার ৬ বছর বয়সি একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।
সজলের ছোট ভাই তুহিন দেউরী অভিযোগ করেন, একই গ্রামের কলেজ পড়ুয়া শোভন বেপারীর সঙ্গে তার ভাইয়ের স্ত্রী রঞ্জিতা হালদারের দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই কলহ বিবাদ লেগেই থাকতো। ঘটনার দিন গত সোমবার ঢাকায় অবস্থানরত সজল ভিডিওকলে স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার একপর্যায়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
শোভন বেপারীর বাবা ভূপাল বেপারী বলেন, সজলের মৃত্যুর পর তিনি ছেলে ও রঞ্জিতার সম্পর্কের বিষয়টি জানতে পারেন। পরে স্থানীয় লিটনসহ কয়েকজন সাংবাদিক পরিচয়ে এসে কোনো হয়রানি হবে না বলে আশ্বাস দিয়ে ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন। নগদ টাকা না থাকায় তার স্ত্রী লিটনের নামে ৪০ হাজার টাকার একটি চেক দেন। এ বিষয়ে নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) থানার ওসি মেহেদী হাসান বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।








