দেশের বিভিন্ন জেলায় পানিতে ডুবে অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে সাতজন শিশু, একজন স্কুলছাত্র ও একজন ব্যবসায়ী রয়েছেন। ফেনীর সোনাগাজী, নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ, শরীয়তপুরের ডামুড্যা, বরিশালের মুলাদী, ঝালকাঠির নলছিটি, রংপুরের কাউনিয়া, পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া, কুমিল্লার মুরাদনগর ও টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে শুক্রবার ও শনিবার এসব দুর্ঘটনা ঘটে। যুগান্তর প্রতিনিধিরা জানান : সোনাগাজীতে পানিতে ডুবে ওয়াজিয়া তাসনিম নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। চরগোপাল গাঁও গ্রামে শুক্রবার বিকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাসনিম ওই এলাকার আবদুল কাদেরের মেয়ে। কোম্পানীগঞ্জে পুকুরের পানিতে ডুবে আবদুল আহাদ ফারহান নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মানিক মাঝি বাড়িতে শনিবার দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ফারহান ওই বাড়ির মহি উদ্দিনের ছেলে। ডামুড্যায় নিজ বাড়ির পাশের পুকুরের পানিতে ডুবে হাবিব আক্তার নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। হাবিব চর ধানমালগাঁও হাওলাদার কান্দি গ্রামের মো. রুবেল হোসেনের মেয়ে। মুলাদীতে ডোবায় পড়ে থাকা প্লাস্টিকের বাটি তুলতে গিয়ে পানিতে ডুবে মাহিম নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পূর্ব তেরচর গ্রামে শনিবার বিকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মাহিম পূর্ব তেরচর গ্রামের বাসিন্দা ও মুলাদী বন্দরের খাবারের হোটেল ব্যবসায়ী মো. কবির ব্যাপারীর ছেলে। নলছিটিতে ডোবার পানিতে ডুবে শামিম নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার দুপুরে পশ্চিম গোপালপুর গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। শামীম ওই গ্রামের সুমন হাওলাদারের ছেলে। কাউনিয়ায় পুকুরে ডুবে মোস্তাকিন নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার বিকালে হারাগাছ ইউনিয়নের নাজিরদহ (বালাটারী) গ্রামে এ দুঘটনা ঘটে। মোস্তাকিম ওই গ্রামের হোসেন আলীর ছেলে। ভাণ্ডারিয়ায় কঁচা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া শিশু সাইদুল ইসলামের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার বিকালে নদমূলা-শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের চরখালী রকেটঘাট সংলগ্ন কঁচা নদী থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। এর আগে শুক্রবার দুপুরে চরখালী রকেটঘাট এলাকায় নদীতে গোসল করতে নেমে সাইদুল নিখোঁজ হয়। সে ওই এলাকার হাফিজুর রহমানের ছেলে। মুরাদনগরে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়ার এক ঘণ্টা পর জেলেদের জালের সহায়তায় নেপাল চন্দ্র সাহা নামে এক ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার সকালে জাহাপুর ইউনিয়নের জাহাপুর জমিদার বাড়ির মদন-মোহন মন্দিরের পুকুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নেপাল চন্দ্র সাহা ছালিয়াকান্দি ইউনিয়নের বোরারচর গ্রামের মৃত জতিন্দ্র চন্দ্র সাহার ছেলে। কালিহাতীতে বন্ধুদের সঙ্গে যমুনা নদীতে গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার ৩০ ঘণ্টা পর মঈন নামে নবম শ্রেণির স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার বিকালে গোহালিয়াবাড়ি ইউনিয়নের গরিলাবাড়ি এলাকায় নদীতে ভাসমান অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়। মঈন মাগুরার কাশিনাথপুর গ্রামের মনিরুজ্জামানের ছেলে। সে টাঙ্গাইল সৃষ্টি স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।