‘চোখের নিমেষে বাড়িভিটা নদী খায়া গেল। চার চারটা ঘর কোনো রকমে নিয়া গ্যাছি। তিনটি আম গাছ, একটি জামগাছ কাটার আগেই নদীত ডুবি গেল। এই শোকে দুঃখে বাড়ি ভাঙার তিন দিন পর বাবা কাদের আলী মারা গেল। কোনো রকমে চর বিদ্যানন্দ থাকি দক্ষিণে আনন্দ বাজারে অন্যের জমিতে ঘর উঠাইছি। আমাগো কষ্ট কেউ দ্যাখে না।’ বুকে কষ্ট চেপে মুখ শক্ত করে কথাগুলো বললেন মৃত আব্দুল কাদেরের ছেলে কাফি। চর বিদ্যানন্দ গ্রামের জয়নাল ও মাঈদুল জানান, গত ১৫ দিনে চর বিদ্যানন্দ ও তৈয়ব খাঁ গ্রামের ১৯টি বাড়ি নদীগর্ভে চলে গেছে। এর মধ্যে চর বিদ্যানন্দে গৃহহীন হয়েছে কাফি, আ. জলিল, রশিদুল ইসলাম, গনি মুন্সী, মোতালিব, আশরাফুল, লোকমান, জয়নাল আ. সালাম, রফিকুল, সফিকুল। এ ছাড়াও চর তৈয়ব খাঁ গ্রামে নদীভাঙনের শিকার হয়েছে আরও আটজন। এ ব্যাপারে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, জেলাজুড়ে প্রায় ৪০টি পয়েন্টে ভাঙন চলমান রয়েছে।
জনগুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করে প্রায় ৩০টি পয়েন্টে ২ লাখ জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। চরাঞ্চলের জন্য বাজেট না থাকায় আমরা সেখানে কাজ শুরু করতে পারিনি।








