গাইবান্ধার পলাশবাড়ি উপজেলার কাশিয়াবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে শুক্রবার বিএনপির সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে বক্তৃতা করেন থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার লিটন, সাধারণ সম্পাদক আবু আলা মওদুদ ও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক আহম্মেদ মোস্তাক। তারা পলাশবাড়ির রামমন্দির ও ধর্মীয় স্বাধীনতার পক্ষে তাদের মতামত ব্যক্ত করেন। পরে বিএনপি নেতাদের এই বক্তব্য সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়।
বক্তারা বলেন, পলাশবাড়ির রামচন্দ্রপুরের কোমরপুর গ্রামে হরিদাস পাল মন্দিরে বিশাল রামমূর্তি নির্মাণ করেছেন। এই রামমন্দির নিয়ে জামায়াত-শিবির ৫ আগস্টের পর থেকে নানা কথা বলে আসছে। পলাশবাড়িতে যে মন্দির নির্মাণ হয়েছে, সেই মন্দির নিয়ে কারো কোনো কথা নেই, তবে, হঠাৎ করে জামায়াত-শিবির মন্দির নিয়ে গুতাগুতি শুরু করেছে। যারা এই মন্দির নিয়ে আজেবাজে কথা বলেন, তাদেরকে বলে দিতে চাই- আমি মুসলিম। আমার যেমন অধিকার আছে নিজ ধর্ম পালনের, তেমনি হিন্দুরাও তাদের মতো করে তাদের ধর্ম, আচার পালন করবেন।
যারা মন্দির নিয়ে মসজিদ নিয়ে গীর্জা নিয়ে আজেবাজে কথা বলে, তারা যদি না শোধরায় তাদেরকে দাতভাঙ্গা জবাব দেওয়া হবে। তারা বলে, এই মন্দির ভেঙে দাও। কেনো এই মন্দির ভাঙতে হবে!-এই প্রশ্নে বিএনপি নেতারা বলেন, পলাশবাড়ির এই মন্দির হচ্ছে বাংলাদেশের সম্পদ, এই মন্দির যেমনি মুসলমানের সম্পদ, ঠিক তেমনি হিন্দুদের সম্পদ। তাই এই মন্দির নিয়ে আমাদের সরকার কোনো অপপ্রচার সহ্য করবে না।








