বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল ও চট্টগ্রাম অঞ্চল পরিচালক মুহাম্মদ শাহজাহান বলেছেন, রাষ্ট্র পরিচালনা, প্রশাসন, শিক্ষা, বিচার ও জনসেবাসহ সব ক্ষেত্রে মেধা, যোগ্যতা ও সততার পরিবর্তে দলীয়করণ প্রতিষ্ঠা করা হলে তা দেশ ও জাতির জন্য কখনো কল্যাণকর হতে পারে না।
বুধবার (৮ জুলাই) চট্টগ্রাম নগরের বিআইএ কনফারেন্স রুমে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চট্টগ্রাম অঞ্চল দায়িত্বশীল সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
মুহাম্মদ শাহজাহান বলেন, রাষ্ট্রের প্রতিটি ক্ষেত্রে দলীয় বিবেচনার পরিবর্তে মেধা, দক্ষতা, যোগ্যতা ও নৈতিকতাকে প্রাধান্য দিতে হবে। এর মাধ্যমে জবাবদিহিমূলক, বৈষম্যহীন ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।
তিনি বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় সংগঠনের দায়িত্বশীলদের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে হবে। জনগণের আস্থা অর্জনে আদর্শিক দৃঢ়তা, নৈতিক চরিত্র, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ও জনসম্পৃক্ততার বিকল্প নেই। মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থেকে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে হবে।
চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দীর্ঘদিনেও এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হওয়া দুঃখজনক। প্রতি বর্ষা মৌসুমে নগরবাসীকে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিপুল অর্থ ব্যয়ে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের পরও জনগণ প্রত্যাশিত সুফল পাচ্ছে না। কার্যকর পরিকল্পনা, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির অভাবে একই সমস্যার পুনরাবৃত্তি ঘটছে। তিনি জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত, সমন্বিত ও টেকসই উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক আহছানুল্লাহ ভুঁইয়া, চট্টগ্রাম মহানগর আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য জাফর সাদেক, অধ্যাপক নুরুল আমিন চৌধুরী, মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমান, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আমীর আনোয়ারুল আলম চৌধুরী, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আমীর আলাউদ্দিন সিকদার, রাঙামাটি জেলা আমীর অধ্যাপক আব্দুল আলিম, বান্দরবান জেলা আমীর মাওলানা এস এম আবদুছ ছালাম আজাদ, খাগড়াছড়ি জেলা আমীর অধ্যাপক সৈয়দ মো. আব্দুল মোমেন, চট্টগ্রাম মহানগর সেক্রেটারি অধ্যক্ষ নুরুল আমীনসহ চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলরা।
সমাবেশে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সাংগঠনিক কার্যক্রম, জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি, দাওয়াতি কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়।
এমআরএএইচ/এমএএইচ/








