মোহাম্মেদ সালাহকে ঘিরেই এখন মিসরের সব আশা-ভরসা। হ্যামস্ট্রিং চোট নিয়ে শঙ্কা থাকলেও শেষ পর্যন্ত মাঠে নামলে তার কাঁধেই থাকবে ফারাওদের ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন। ১৯৩৪ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করার হাতছানি মিসরের সামনে। সেই পথে বাধা অস্ট্রেলিয়া। আজ রাত ১২টায় যুক্তরাষ্ট্রের আর্লিংটনের এটিএন্ডটি স্টেডিয়ামে শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে দুই দল। দুদলের জন্যই এটি ‘বাঁচা-মরার’ ম্যাচ।
গ্রুপপর্বে রানার্সআপ হয়ে নকআউটে উঠেছে দুই দল। ডি-গ্রুপে যুক্তরাষ্ট্রের পর দ্বিতীয় হয়েছে অস্ট্রেলিয়া। আর জি-গ্রুপে গোল ব্যবধানে পিছিয়ে বেলজিয়ামের পর দ্বিতীয় স্থান দখল করে শেষ-৩২ নিশ্চিত করেছে মিসর। তুরস্ককে ২-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু অস্ট্রেলিয়ার। পরে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের কাছে একই ব্যবধানে হারে তারা। শেষ ম্যাচে প্যারাগুয়ের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে নকআউট নিশ্চিত করে সকারুজরা। ২০০৬ ও ২০২২ বিশ্বকাপেও শেষ ষোলোতে খেলেছিল অস্ট্রেলিয়া। এবার লক্ষ্য আরও এক ধাপ এগিয়ে যাওয়া। কেপ ভার্দেকে হারিয়ে আর্জেন্টিনা উঠলে শেষ ষোলোতে তাদের মুখোমুখি হবে এই ম্যাচের জয়ী দল। অন্যদিকে বেলজিয়ামের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে বিশ্বকাপ শুরু করে মিসর। এরপর নিউজিল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শেষ ম্যাচে ইরানের সঙ্গে ড্র করে তারা। ১৯৩৪ সালের পর আর কখনো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে উঠনি মিসর। ২০১৮ বিশ্বকাপে তিন ম্যাচেই হেরেছিল তারা। এবার শেষ ষোলো নিশ্চিত করলে সেটি হবে দেশটির ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম বড় অর্জন। দুই দলের একমাত্র দেখায়ও এগিয়ে মিসর। ২০১০ সালে প্রীতি ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়েছিল ফারাওরা। সেই স্মৃতি এবার আত্মবিশ্বাস জোগাতে পারে সালাহদের।








