সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষে গত ১১ জুন সাগরে মাছ ধরা শুরু হয়। তবে সাগরে বৈরী আবহাওয়া থাকায় শুরুতে জেলেরা ঠিকমতো মাছ ধরতে পারেননি। কিন্তু এখন আবহাওয়া পরিস্থিতি অনুকূলে থাকায় তাঁরা নির্বিঘ্নে মাছ ধরছেন। জেলেদের জালে এখন ধরা পড়ছে লইট্টা, পোপা, কই, চাপিলা, রূপচাঁদা, কামিলি, চিংড়িসহ নানান মাছ। সাগর থেকে মাছ নিয়ে ট্রলার আসে চট্টগ্রাম নগরের ফিশারীঘাটে। ট্রলার থেকে এসব মাছ ঘাটে নামানোর কাজ চলে ভোররাত থেকে সকাল নয়টা পর্যন্ত। পরে মাছগুলো নিয়ে যাওয়া হয় ফিশারীঘাটের পাশের নতুন মাছবাজারে। সেখান থেকে পাইকারি দরে মাছ কিনে নেন চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা খুচরা বিক্রেতারা। ফিশারীঘাট ও নতুন মাছবাজারের নানা দৃশ্য নিয়ে ছবির গল্প। ছবিগুলো গত বুধবার সকালে তোলা।

বাজারে বিক্রির জন্য সাজিয়ে রাখা হয়েছে লইট্টা মাছ।
ট্রলার থেকে মাছ নামিয়ে ঠেলাগাড়িতে তোলা হচ্ছে।
ট্রলার থেকে ফিশারীঘাটে নামানো হচ্ছে চিংড়ি।
ঠেলাগাড়িতে করে বাজারে মাছ নিয়ে যাচ্ছেন শ্রমিক।
সকালের বাজারে মাছ কেনাবেচায় ব্যস্ত ব্যবসায়ী–ক্রেতারা।
ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে সাজিয়ে রাখা হয়েছে কামিলি মাছ।
বাজারে বিক্রির জন্য সাজিয়ে রাখা মাছ।
প্লাস্টিকের খাঁচিতে রাখা বিভিন্ন ধরনের মাছ।
ট্রলার থেকে নামানোর পর প্লাস্টিকের ঝুড়িতে তোলা হচ্ছে রূপচাঁদা মাছ।
বিক্রির জন্য বড় আকারের রূপচাঁদা মাছ হাতে নিয়ে দেখাচ্ছেন এক বিক্রেতা।
সাজিয়ে রাখা হয়েছে রুইসহ অন্য মাছ।
বিক্রির জন্য রাখা হয়েছে হরেক রকমের মাছ।
ক্রেতাদের নজর কাড়তে আলাদা করে রাখা হয়েছে সামুদ্রিক কই কোরাল।
ট্রলার থেকে মাছ নামিয়ে ঠেলাগাড়িতে তোলা হচ্ছে।
ক্রেতা-বিক্রেতায় মুখর সকালের মাছবাজার।