সরকারি খাতের সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ পূর্তির তারিখ থেকে পরবর্তী ছয় বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর মুনাফা তামাদি হয়ে যাবে। মেয়াদপূর্তির ছয় বছরের মধ্যে গ্রাহক সঞ্চয়পত্রের মুনাফা উত্তোলন না করলে সঞ্চিত মুনাফা আইন অনুযায়ী তামাদি হিসাবে স্থানান্তর হয়ে যাবে। তখন গ্রাহকের মুনাফা উত্তোলন করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিশেষ আবেদন করতে হবে।

সঞ্চয়পত্রের মুনাফার তামাদি আইন প্রয়োগের বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে সম্প্রতি দেওয়া এক ব্যাখ্যা থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। মন্ত্রণালয়ের ব্যাখ্যাটি সংযুক্ত করে মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। তামাদি আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে আইনের এই ব্যাখ্যা অনুসরণ করতে সংশ্লিষ্টদের বলা হয়েছে। এই ব্যাখ্যাটি জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর থেকে তাদের সব ব্যুরো অফিস ও ডাকঘরে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, নানা কারণে সঞ্চয়পত্রের মুনাফা গ্রাহক উত্তোলন করেন না। ফলে ওইসব মুনাফা সরকারের হিসাবে থেকে যায়। সরকারের ঋণ আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে ওইসব মুনাফা উত্তোলন না করলে তা তামাদি হয়ে যাবে। তবে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করা মূল অর্থ তামাদি হবে না। এতে বলা হয়, পেনশনার সঞ্চয়পত্র ও পরিবার সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ পূর্তি পর্যন্ত মুনাফা মাসিক ভিত্তিতে গ্রাহকের পাওয়ার বৈধতা থাকে। পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রের মেয়াদপূর্তি পর্যন্ত মুনাফা মাসিক বা ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে গ্রাহকের প্রান্তিতে বৈধতা থাকে।