২০১০ সালের পর প্রথম ইউরো শিরোপাধারী হিসাবে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠল স্পেন। ২০১০ সালে ইউরো চ্যাম্পিয়ন হিসাবে খেলতে এসে বিশ্বকাপ জিতেছিল তারা

২০

২০০৬ আসরের পর গত ২০ বছরে বিশ্বকাপে নির্ধারিত সময়ে নকআউট পর্বের কোনো ম্যাচ হারেনি স্পেন

৩৫

সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা ৩৫ ম্যাচে অপরাজিত স্পেন (২৬ জয় ও নয় ড্র)। যৌথভাবে এটি তাদের টানা সবচেয়ে বেশি ম্যাচে অপরাজিত থাকার রেকর্ড

বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম দল হিসাবে টানা ছয় ম্যাচে কোনো গোল হজম কেরেনি স্পেন

ইতালির (১৯৯০) পর দ্বিতীয় দল হিসাবে বিশ্বকাপের এক আসরে প্রথম পাঁচ ম্যাচে জাল অক্ষত রেখেছে স্পেন

৬০৯

২০২২ আসর থেকে এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে টানা ৬০৯ মিনিট কোনো গোল হজম করেননি স্পেনের গোলকিপার ইনাই সিমোন

পর্তুগালের বিপক্ষে ৮৫ মিনিটে বদলি হিসাবে নেমে বলে নিজের পঞ্চম স্পর্শে গোল করেন স্পেনের মিকেল মেরিনো

ইউরো ও বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্টে নকআউট পর্বে তিনবার স্পেনের মুখোমুখি হয়ে প্রতিবারই হেরেছে পর্তুগাল

৯৩

বর্তমান খেলোয়াড়দের মধ্যে আন্তর্জাতিক ফুটবলে তৃতীয় সর্বোচ্চ ৯৩ গোল লুকাকুর

১৯

স্পেনের বিপক্ষে মাত্র ১৯ বার বল স্পর্শ করেছেন পর্তুগাল অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। বিশ্বকাপে শুরুর একাদশে থাকা কোনো ম্যাচে যা তার দ্বিতীয় সর্বনিম্ন

৭৪১

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ১০ ম্যাচে ৭৪১ মিনিট খেলে মাত্র একটি গোল করেছেন রোনাল্ডো। সেটিও এসেছে পেনালটি থেকে

শেষ নয় ম্যাচে কোনো ড্রিবলিংয়ের চেষ্টা করেননি রোনাল্ডো। শেষ ১৫ ম্যাচে কোনো সফল ড্রিবল নেই তার

১৭

এবারের বিশ্বকাপে নিজে ১৭টি শট নিলেও সতীর্থদের জন্য কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেননি রোনাল্ডো। গত ৬০ বছরে বিশ্বকাপে কোনো সুযোগ তৈরি না করে সবচেয়ে বেশি শটের রেকর্ড এটি

নিজেদের বিশ্বকাপ ইতিহাসে এই প্রথম টানা তিন ম্যাচে তিন বা তার বেশি গোল করল বেলজিয়াম

বিশ্বকাপে বদলি হিসাবে নেমে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চার গোল করেছেন বেলজিয়ামের রোমেলু লুকাকু। সর্বোচ্চ পাঁচ গোল ক্যামেরুনের রজার মিলার

নকআউট পর্বে ওঠা সাত বিশ্বকাপে ছয়বারই শেষ ষোলো থেকে বিদায় নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র