সংস্কার না হলে রাষ্ট্রের নাগরিকদের ওপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নির্যাতন, গুম, অবৈধ আটক ও হত্যা বন্ধ হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্টজনরা। তারা বলছেন, এসব নির্যাতন থেকে নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে হলে অবিলম্বে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণে সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, গুম অধ্যাদেশসহ অন্তর্বর্তী সরকারের যে ১৬টি অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপন না হওয়ায় বাতিল হয়েছে, ওইসব বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ আইন প্রণয়ন করতে হবে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘নির্যাতন প্রতিরোধ প্রতিকার ভিকটিমদের ক্ষতিপূরণ ও ন্যায় বিচার : বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট ও করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তারা। মানবাধিকার সংস্থা অধিকার এই আলোচনা সভার আয়োজন করে। সংগঠনের প্রশিক্ষণ ও অ্যাডভোকেসি পরিচালক তাসকিন ফাহমিনার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পরিচালক (প্রোগ্রামস) মো. সাজ্জাদ হোসেন। বক্তৃতা করেন জুলাই নির্যাতনের ভুক্তভোগী মুহাইমিন পুলক, জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ শেখ শাহরিয়ারের মা মমতাজ বেগম, পুলিশের নির্যাতনে মৃত্যু হওয়া ইশতিয়াক হোসেন জনির ভাই ইমতিয়াজ হোসেন রকি, হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব ও পুলিশি নির্যাতনের শিকার আজিজুল হক ইসলামাবাদী, ওএইচসিএইচআর-এর মানবাধিকার কর্মকর্তা জাহিদ হোসেন, ডেইলি স্টারের সিনিয়র রিপোর্টার জাইমা ইসলাম, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. শরীফুল ইসলাম, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী ডা. ফয়জুল হাকিম, দ্য ডেইলি ওয়াদার সম্পাদক-ইন-চিফ শফিকুল আলম, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক বদরুদ্দোজা বাদল ও সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।








