জাতীয়তাবাদী যুবদল সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না বলেছেন, যুবদল সুশৃঙ্খল ও আদর্শিক রাজনীতি চর্চায় বিশ্বাসী। কোনো রকম বেআইনি, অনৈতিক ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমকে যুবদল প্রশ্রয় দেয় না। তিনি বলেন, দলীয় শৃঙ্খলা ও আদর্শ পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সারা দেশে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৩০০ নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে অনৈতিক কাজে জড়িত থাকার দায়ে কয়েকজনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলাও করা হয়েছে। বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টনের একটি হোটেলে সমসাময়িক রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে যুবদল সভাপতি এসব কথা বলেন।
ভবিষ্যতেও এই কঠোর অবস্থান বজায় থাকবে উল্লেখ করে মুন্না বলেন, ‘কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী সংগঠনের নাম ব্যবহার করে বেআইনি কর্মকাণ্ড চালাতে পারবে না। সংগঠনের সুনাম ও শৃঙ্খলা রক্ষায় ভবিষ্যতেও এমন কঠোর নীতি ও ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।’ সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করতে যুবদলের ৮২টি সাংগঠনিক ইউনিট ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান আবদুল মোনায়েম মুন্না।
তিনি উল্লেখ করেন, দ্রুতই সাংগঠনিক টিম গঠন করে তৃণমূল পর্যায়ে কমিটি পুনর্গঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। মূলত জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নতুন ও যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কেবল রাজনৈতিক কর্মসূচিই নয়, যুব সমাজকে সামাজিক কার্যক্রমে উদ্বুদ্ধ করতে যুবদলের নানা পরিকল্পনার কথা জানান সভাপতি। সংবাদ সম্মেলনে যুবদল-সংশ্লিষ্ট যে কোনো খবর প্রকাশের আগে তথ্যের সত্যতা ও বস্তুনিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি বিশেষভাবে আহ্বান জানানো হয়। মুন্না বলেন, কোনো ব্যক্তি সংগঠন থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর যদি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন, তাহলে সেই দায় যুবদলের নয়। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সংগঠনের কোনো নেতাকর্মী অপরাধে জড়িত হলে তাকে শাস্তির আওতায় আনা, বহিষ্কার করা এবং তার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন, সিনিয়র সহসভাপতি রেজাউল করিম পল, যুগ্ম সিনিয়র সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন তারেক, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান জুয়েল, দপ্তরের দায়িত্বে থাকা সহসভাপতি মো. নুরুল ইসলাম সোহেলসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।








