সরকারিভাবে এলপিজি গ্যাসের দাম কমানো হলেও বরিশালে বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার। খুচরা পর্যায়ের দোকানিরা বলছেন এলপিজি ডিলার পর্যায়ে এখনও বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে যে কারণে খুচরা পর্যায়ে বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। এলপিজি বেশি দামে বিক্রি হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা। একাধিক ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, কোনো কিছুর দাম সরকারিভাবে বাড়ানো হলে তা সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হয় অথচ দাম যখন কমানো হয় তখন নানা অজুহাতে বাড়তি দামেই বিক্রি করেন ব্যবসায়ীরা। বাড়তি দামের বিরুদ্ধে অভিযানের দাবি জানান ক্রেতারা। সূত্রমতে বৃহস্পতিবার নতুন দাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। প্রতি কেজিতে কমেছে ২৯ টাকা ৭৬ পয়সা। এতে বাজারে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে দাম কমেছে ৩৫৭ টাকা। এর আগে গত মাসে কমেছিল ৫৫ টাকা। এখন নতুন দাম হয়েছে ১ হাজার ৫২৮ টাকা। তবে বরিশালে এখনও বাড়তি দামে বিক্রি করা হচ্ছে এলপিজি সিলিন্ডার। নগরীর জর্ডন রোডের বাসিন্দা মোস্তাফিজুল আলম সজিব বলেন, শুনছি গ্যাসের দাম কমেছে অথচ শুক্রবার দোকানে গ্যাস সিলিন্ডার ক্রয় করতে আসলে ১ হাজার ৭শ টাকা রেখেছে। এসব বিষয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক অপূর্ব অধিকারী বলেন, কোনো ব্যবসায়ী যদি বাড়তি দামে এলপিজি বিক্রি করার অভিযোগ পাওয়া যায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।