শতভাগ মার্জিনে আমদানির জন্য এলসি খোলার অনুমতি পেয়েছে আব্দুল মোনেম সুগার রিফাইনারি লিমিটেড। উৎপাদন ও কর্মসংস্থান অব্যাহত রাখার স্বার্থে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতিষ্ঠানটিকে এমন ছাড় দিয়েছে। এ বিষয়ে সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়। প্রতিষ্ঠানটি ঋণখেলাপি থাকায় কাঁচামাল আমদানির জন্য কোনো এলসি খুলতে পারছিল না। এতে তাদের উৎপাদন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছিল।
সূত্র জানায়, বেসরকারি খাতের আব্দুল মোনেম গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান আব্দুল মোনেম সুগার রিফাইনারি। প্রতিষ্ঠানটির নামে ২৪টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে গত বছরের মার্চ পর্যন্ত খেলাপি ঋণ ছিল ৬৯৮ কোটি টাকা। পরবর্তীতে কিছু খেলাপি ঋণ নবায়ন করলেও পুরোপুরি খেলাপিমুক্ত করতে পারেনি। ফলে প্রচলিত ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী কোনো প্রতিষ্ঠানের নামে খেলাপি ঋণ থাকলে ওই প্রতিষ্ঠান ব্যাংক থেকে আর নতুন কোনো ঋণ পেতে পারে না। পাশাপাশি ব্যাংকে কোনো এলসিও খুলতে পারবে না। সূত্র জানায়, প্রচলিত আইন অনুযায়ী খেলাপি প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসায়িক ধারা অব্যাহত রাখার জন্য ব্যাংক কোম্পানি আইনের সংশ্লিষ্ট ধারা থেকে তাদের অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠানটির নামে এলসি খুলতে ব্যাংকগুলোকে শতভাগ মার্জিন নিতে হবে। অর্থাৎ এলসি মূল্যের সমুদয় অর্থ নগদ পরিশোধ করতে হবে। এলসির বিপরীতে কোনো ঋণ দেওয়া যাবে না। এই সুবিধা আগামী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত চালু থাকবে।
সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির অনুকূলে এলসি খোলার পর কোনো দায় সৃষ্টি হলে তা সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংকের ওপর চাপানো যাবে না। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনো ব্যাংক সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে কোনো আর্থিক সহায়তা দাবি করতে পারবে না। সূত্র জানায়, আলোচ্য প্রতিষ্ঠানটি আব্দুল মোনেম গ্রুপ বিক্রি করে দিয়েছে। কিন্তু খেলাপি থাকার কারণে মালিকানা হস্তান্তর হয়নি।








