প্রস্তাবিত প্যাকেজ ভ্যাট ব্যবস্থা নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি।
সংগঠনটি বলেছে, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল ও কয়েকটি ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃত্ব সরকারের বাস্তবসম্মত নীতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে ভুল তথ্য ও অযথা উদ্বেগ ছড়িয়ে দিচ্ছে, যা অনভিপ্রেত।
রোববার (২৯ জুন) সংগঠনটির সভাপতি নাজমুল হাসান মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান টিপুর সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি সরকারের সেই নীতিগত অবস্থানকে সমর্থন করে, যেখানে ভ্যাট আদায়কে মূলত উৎপাদন ও আমদানিকারক পর্যায়ে কেন্দ্রীভূত করার কথা বলা হয়েছে। এতে খুচরা ব্যবসায়ীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমবে বলে মনে করে সংগঠনটি।
আরও পড়ুন
মুদি দোকান ও বিউটি পার্লারসহ ১৬ ব্যবসায়িক খাত আসছে করের আওতায়
তাদের মতে, দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি দোকান ব্যবসায়ীরা জাতীয় অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। তাই তাদের সক্ষমতা বিবেচনায় রেখে বাস্তবসম্মত প্যাকেজ ভ্যাট কাঠামো নির্ধারণ করা প্রয়োজন।
এ লক্ষ্যে সংগঠনটি তিনটি প্রস্তাব দিয়েছে। প্রস্তাবগুলো হলো—বার্ষিক ৪০ লাখ টাকা টার্নওভারের উপরের উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের দোকানগুলোর জন্য বাৎসরিক ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা নির্ধারিত প্যাকেজ ভ্যাট নির্ধারণ; ঢাকা সিটি করপোরেশন এলাকার জন্য বাৎসরিক ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা প্যাকেজ ভ্যাট নির্ধারণ; চট্টগ্রামসহ অন্যান্য সিটি করপোরেশন এলাকায় সমমান বা সমন্বিত হারে বাৎসরিক ভ্যাট নির্ধারণ।
সংগঠনটি আরও বলেছে, প্যাকেজ ভ্যাট ব্যবস্থা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে হলে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতিসহ সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে সরকারকে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। অন্যথায় এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে জটিলতা তৈরি হতে পারে।
ইএইচটি/এমকেআর








