বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর লড়াইয়ের আগে মেক্সিকো সিটিতে পৌঁছেই বৈরী পরিবেশের মুখোমুখি হয়েছে ইংল্যান্ড। দলের হোটেলের সামনে জড়ো হওয়া শত শত মেক্সিকান সমর্থক দুয়ো দিয়ে এবং স্বাগতিকদের পক্ষে স্লোগানে ইংলিশদের স্বাগত জানিয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ইংল্যান্ড দলের হোটেলের আশপাশে নিরাপত্তা জোরদার করেছে কর্তৃপক্ষ।
ইংল্যান্ড দলের হোটেলের অবস্থান গোপন রাখার চেষ্টা করেছিল আয়োজকেরা। উদ্দেশ্য ছিল, আগের রাউন্ডে ইকুয়েডর দলের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকানো। মেক্সিকোর বিপক্ষে ম্যাচের আগের রাতে ইকুয়েডরের হোটেলের বাইরে সমর্থকেরা হর্ন, লাউডস্পিকার ও মোটরসাইকেলের শব্দ করে খেলোয়াড়দের বিশ্রামে বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করেছিলেন। পরে সেই ম্যাচে মেক্সিকোর কাছে ২-০ গোলে হেরে যায় ইকুয়েডর।
সেই পরিকল্পনা সফল হয়নি বিশ্বকাপ কর্তৃপক্ষ। ইংল্যান্ড দলের অবস্থান জেনে হোটেলের সামনে ভিড় করেন বিপুলসংখ্যক সমর্থক। কেউ খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের উদ্দেশে দুয়ো দেন, আবার অনেকে বারবার ‘মেক্সিকো’ ধ্বনি তোলেন। ভিড়ের মধ্যে একজন সমর্থককে ইংল্যান্ডের জার্সি প্রদর্শন করতেও দেখা যায়।
এই ঘটনার কয়েক দিন আগেই ইকুয়েডর ফুটবল ফেডারেশন ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করে। তাদের দাবি, মেক্সিকোর বিপক্ষে আসতেকা স্টেডিয়ামে ম্যাচের আগে এবং ম্যাচ চলাকালীন খেলোয়াড় ও সমর্থকদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপট বিবেচনায় ইংল্যান্ড দলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কঠোর করা হয়েছে।
এদিকে, শেষ ষোলো নিশ্চিত করার পর মেক্সিকোতে উদ্যাপনের সময় চারজনের মৃত্যুর ঘটনাও দেশটির রাজধানীর নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আলোচনায় এনেছে। ফলে কর্তৃপক্ষ পুরো পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে।
আগামী ৬ জুলাই বাংলাদেশ সময় ভোর ৬টায় মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও মেক্সিকো। শেষ ষোলোর সবচেয়ে আকর্ষণীয় ম্যাচগুলোর একটি হিসেবে দেখা হচ্ছে এই দ্বৈরথকে।








