সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন ডিউটিরত ছাত্রীদের যৌন হয়রানিকে কেন্দ্র করে হাসপাতালের ওয়ার্ডবয় এবং ইন্টার্ন নার্সিং শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারি ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে এবং দোষীদের বিচার দাবিতে বৃহস্পতিবার ইন্টার্ন নার্সিং শিক্ষার্থীরা হাসপাতালের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন। বিক্ষোভ শেষে তারা হাসপাতালের পরিচালকের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। এর আগে বুধবার দুপুরে হাসপাতালের আউটডোর বিল্ডিংয়ের নিচতলায় সার্জিক্যাল মাইনর ওটির (অপারেশন থিয়েটার) ড্রেসিং রুমে এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় আহত ইন্টার্ন নার্সিং শিক্ষার্থীরা হলেন-সুরমা নার্সিং কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র তাহমিদ, আল-আমিন নার্সিং কলেজের ছাত্র রবিউল আউয়াল শুভ ও ওয়েসিস নার্সিং ইনস্টিটিউটের ডিপ্লোমা ইন নার্সিংয়ের ছাত্র প্রীতম রঞ্জন দাস। আহত তিনজনই বর্তমানে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্যাজুয়ালিটি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালে ইন্টার্ন ডিউটিরত বেসরকারি নার্সিং কলেজের দুই ছাত্রীকে হাসপাতালের আউটসোর্সিং স্টাফ ও ওয়ার্ডবয় জামাল এবং অঞ্জন সরকার প্রায়ই উত্ত্যক্ত ও অশোভনীয় আচরণ করতেন। ভুক্তভোগী ছাত্রীরা বিষয়টি তাদের ইন্টার্ন অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের জানালে তাহমিদ ও প্রীতম রঞ্জন দাশের নেতৃত্বে কয়েক ছাত্র মাইনর ওটির ড্রেসিং রুমে গিয়ে নার্সিং স্টাফ মো. জাহাঙ্গীরের কাছে কথা বলতে যান। কথাবার্তার একপর্যায়ে ওয়ার্ডবয় জামাল উত্তেজিত হয়ে উঠলে উভয় পক্ষের মধ্যে হট্টগোল ও মারামারি শুরু হয়। মারামারির সময় ওটি রুমের কাচ ও বিভিন্ন চিকিৎসাসামগ্রী ভাঙচুর হয় এবং তিন ইন্টার্ন শিক্ষার্থী আহত হন।








