শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র নারীদের বেকারত্ব থেকে পরিত্রাণ দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। সোমবার রাজধানীর পান্থপথে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র (ডে কেয়ার সেন্টার) সম্পর্কিত কার্যক্রমের আওতায় ‘শিশুর প্রারম্ভিক যত্ন ও বিকাশ’ বিষয় নিয়ে আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। এর আগে পুরো শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখেন তিনি। এ সময় শিশুদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের আঁকা ছবিও দেখেন।

শিশুদের যত্নে নিয়োজিতদের ধন্যবাদ জানিয়ে জুবাইদা রহমান বলেন, আপনারা মানবিক যত্নের মাধ্যমে অন্যের শিশুদের বড় করছেন। আপনারা আছেন বলেই, অনেক মা বোন, সাচ্ছন্দে চাকরি ক্ষেত্রে যোগদান এবং কাজ করতে পারছেন। শিশুরাও নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে উঠছে।

শৈশব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময় মন্তব্য করে তিনি বলেন, এসময়ই অনেক বিষয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়। তার কথায়, দিবা পরিচর্যা কেন্দ্র শুধু নিরাপদ থাকার স্থান নয়, দেশের ভবিষ্যৎ গড়ারও সহায়ক। তিনি বলেন, আপনারা এক সঙ্গে দুটি কাজ করছেন; দেশের ভিত্তি গড়ায় সহায়তা করছেন এবং দেশের বিশাল নারী সংখ্যাকে বেকারত্ব থেকে মুক্তি দিচ্ছেন।

সভাপতির বক্তব্যে সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, কর্মজীবী পরিবার যাতে ছয় মাস থেকে ছয় বছর বয়সী শিশুদের জন্য নিরাপদ, স্বাভাবিক ও বিকাশবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারে, সে লক্ষ্যেই কাজ করছে সরকার।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রের জন্য চলতি বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। ডে কেয়ার সেন্টার হলো শিশু ও কর্মজীবী অভিভাবকদের জন্য একটি নিশ্চিত জায়গা। কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন। এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর তেজগাঁও সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা) ভূমি ভবনের শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র এবং বেলা সাড়ে ১১টায় পানি ভবনের শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন ডা. জুবাইদা রহমান। এ সময় তিনি শিশুদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং তাদের স্বাস্থ্য ও পরিচর্যার খোঁজ-খবর নেন।