সারা দেশের স্কুল-কলেজগুলো সিসিটিভি মনিটরিংয়ের আওতায় থাকতে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আজ সোমবার জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমিতে (নায়েম) বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে যেন সঠিকভাবে মনিটরিং করা যায় সে জন্য প্রতিটি ক্লাসরুমে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে। শ্রেণিকক্ষে সঠিকভাবে পাঠদান করা হচ্ছে কিনা তা নজরে রাখার জন্য ক্লাস রুমগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা থাকতে হবে। এ ছাড়া একটি মনিটরিং সেল স্থাপন করতে হবে যেন সেখানে বসে যেকোনো সময় যেকোনো ক্লাসরুম পর্যবেক্ষণ করা যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘দেশের অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের টয়লেটগুলো অস্বাস্থ্যকর ও অপরিচ্ছন্ন। ফলে সেগুলো ব্যবহারে অনেক শিক্ষক-শিক্ষার্থী আগ্রহী হন না। তাই, দেশের শতভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের টয়লেট পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো অবহেলা করা যাবে না।’
শিক্ষকদের উদ্দেশে তিনি আর বলেন, ‘লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করবেন আপনারাই। তাই আমরা সবাই মিলে কাজ করব, যাতে সেই কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছাতে পারি। আপনাদের কাছে যদি আরও কোনো দুর্বলতা বা সীমাবদ্ধতার বিষয় থাকে, অবশ্যই আমাদের জানাবেন।’
এর আগে দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পাঠ্যপুস্তক প্রকাশ কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত সভা শেষে শিক্ষামন্ত্রী জানান ডিসেম্বরেই শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বছরের পাঠ্যবই তুলে দেওয়া হবে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আশা করছি, যে ডিসেম্বরের যে ফাইনাল পরীক্ষা হবে তখনই তাদের হাতে আমরা বইগুলি পৌঁছে দেব। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ৩০ নভেম্বরের মধ্যেই আমাদের রেডি থাকতে হবে নতুন পাঠ্যপুস্তক নিয়ে।’
পাঠ্যবই ছাপার দরপত্র প্রক্রিয়া চলছে বলে তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ওয়ার্ক অর্ডার ফার্স্ট উইক অব আগস্টের ভেতরে সব দিয়ে দেব। এরপর তারা (প্রকাশকেরা) ছাপার কাজ শুরু করবে।’
এদিকে সন্ধ্যায় সচিবালয়ে ১১টি পেপার মিলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বৈঠক শেষে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘পেপার মিলগুলোর প্রতিনিধিরা আমাদের আশ্বস্ত করেছেন কাগজের দাম বাড়বে না। তারা সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।’








