উপজেলা প্রশাসনের নোটিশের পরেও স্কুল ফিডিংয়ে শিশুদের মেয়াদোত্তীর্ণ রুটি সরবরাহ করা হয়েছে। এ বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ধামাচাপা দিয়ে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন বারবার-এমন অভিযোগ শিক্ষকদের। অপরদিকে মেয়াদোত্তীর্ণ রুটি নিয়ে বিপাকে আছেন শিক্ষকরা। শোকজের জবাবে এমন ভুল আর না করার শর্তে ক্ষমা চেয়ে মাস পেরোনোর আগেই এ মেয়াদোত্তীর্ণ রুটি দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। পৌর এলাকার ডাকুয়া আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক সালমা বেগম বলেন, আমাদের স্কুলে বাচ্চাদের জন্য দুদিনের মোট ৩৪৪টি রুটি দিয়ে গেছে, তার মধ্যে ৪৪টি রুটির মেয়াদ নেই। এই রুটিগুলো আমরা ভিন্ন করে কাটনে রেখেছি। এ বিষয়ে স্কুলে খাবার সরবরাহকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পটুয়াখালী জেলার ম্যানেজার আমজাদ হোসেন বলেন, রুটিতে তারিখের সিল ভুলবসত ২৯ তারিখের জায়গায় ২৬ তারিখ পড়েছে। আমরা এটা নিয়ে নতুন কাজ করছি তাই কিছু ভুল হতে পারে, ভবিষ্যতে এমন ভুল আর হবে না। উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. গোলাম সগীর বলেন, ওরা যে রুটিগুলো দিয়েছে তার ম্যানুফ্যাকচার ডেট ২৫ জুন ও এক্সপেয়ার ডেট দেওয়া আছে ২৬ জুন। এছাড়া আরও অর্ধেক রুটি আছে ২৫ জুন ম্যানুফ্যকচার ডেট এবং ২৯ জুন এক্সপেয়ার ডেট। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কয়েক সপ্তাহ আগেও নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। সেই নোটিশে তারা ক্ষমা চেয়েছে এবং এমন ভুল আর করবেন না বলে উল্লেখ করেছিলেন। ইউএনও আবুজর মো. ইজাজুল হক বলেন, কেউ উলটাপালটা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।