শ্মশানের চুল্লিতে ঠাকুমার সঙ্গে সহমরণের চেষ্টা করেছে নাতি। সোমবার রাতে পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার নবদ্বীপ মহাশ্মশানে এ ঘটনা ঘটেছে।
শ্মশানকর্মী ও উপস্থিত অন্যান্য শ্মশানযাত্রীদের তৎপরতায় নাতিকে দ্রুত উদ্ধার করা সম্ভব হয় যুবককে। চোখ মুখ আংশিক পুড়ে গেলেও তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
গেদে সীমান্ত এলাকা থেকে টুকুবালা মন্ডল নামে ৯০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মৃতদেহ দাহ করতে আনা হয়েছিল। মৃতদেহটি বৈদ্যুতিক চুল্লিতে প্রবেশ করানোর জন্য ট্রলিতে রাখা হয়েছিল। ওই সময় টুকুবালার নাতি ইন্দ্রজিৎ বিশ্বাস (বয়স ৩০) ট্রলির উপর থাকা মৃতদেহের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। ট্রলিটি তখন খোলা বৈদ্যুতিক চুল্লির ভিতরে ঢুকতে শুরু করেছিল। মুহূর্তের মধ্যেই উপস্থিত মানুষের চিৎকারে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। শ্মশানকর্মী এবং অন্যান্য শ্মশানযাত্রীরা দ্রুত চুল্লির সামনে পৌঁছে যুবককে টেনে বের করে আনেন। তবে ততক্ষণে তার চোখ, মুখসহ শরীরের কিছু অংশ দগ্ধ হয়ে গেছে।
ইন্দ্রজিৎকে নবদ্বীপ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে তার অবস্থা এখন স্থিতিশীল।
এই ঘটনার কারণ নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা রয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের দাবি, ঘটনার সময় যুবকটি মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। আবার পরিবারের তরফে অভিযোগ, তিনি অসুস্থ মানসিক অবস্থায় এমন কাণ্ড ঘটিয়েছেন।








