এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা স্থানীয় সরকারের কোনো নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব মো. আখতার আহমেদ। এছাড়া ঋণখেলাপি, ঋণের জামিনদার এবং ইউটিলিটি বিল বকেয়া থাকা ব্যক্তিরাও প্রার্থী হিসেবে অযোগ্য বিবেচিত হবেন।মঙ্গলবার (২১ জুলাই) নির্বাচন কমিশনের ১২তম সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ইসি সচিব।আখতার আহমেদ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পাঁচটি প্রতিষ্ঠান-ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদের আইনগুলোতে সামঞ্জস্য আনার বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে। প্রস্তাবিত সংশোধনীতে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ রাখা হয়নি। কমিশন এই প্রস্তাবগুলো চূড়ান্ত করেছে, যা দ্রুতই আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্য সংগ্রহের বয়সসীমা কমানোর বিষয়ে সচিব বলেন, বর্তমানে ১৬ বছর বা তার বেশি বয়সীদের তথ্য সংগ্রহ করে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ১৮ বছর পূর্ণ হলে তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভোটার তালিকায় যুক্ত হন। তার আগ পর্যন্ত তথ্যগুলো সংরক্ষিত থাকে।এই বয়সসীমা আরও কমিয়ে এসএসসি, অষ্টম শ্রেণি বা প্রাথমিক পর্যায় পর্যন্ত নামিয়ে আনা যায় কি না, তা নিয়ে পর্যালোচনা চলছে বলে জানান তিনি। ইসি সচিব বলেন, ‘একটি তুলনামূলক বিবরণী পর্যালোচনা করে পরবর্তীতে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
রাজনীতি
স্থানীয় নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা অংশ নিতে পারবেন না

শেয়ার করুন







