স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য আইন-বিধি প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হয়েছে, সেগুলো দ্রুত স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) কমিশনের ১২তম সভা শেষে এ কথা জানান তিনি।

আখতার আহমেদ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদের যে আইনগুলো আছে, সেগুলো নিয়ে আলোচনা করা রয়েছে।

ইসি সচিব বলেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সবগুলোর আইনে এটা সেভাবে নেই। কাজেই আমরা মনে করি যে সবগুলোর আইনে এটা যুক্ত করা উচিত। এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।

তিনি বলেন, ঋণখেলাপি বলে যে বিষয়টা আছে-একটা হচ্ছে বন্ধকদাতা এবং জামিনদার। তো যিনি ব্যক্তিগতভাবে বন্ধকদাতা তিনি তো আছেনই। কিন্তু যারা তাদের জামিনদার হয়েছেন তাদেরও ঋণখেলাপি প্রার্থী হিসেবে অযোগ্য করার একটা প্রস্তাবনায় আমরা নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছি।

সচিব আরও বলেন, পাশাপাশি বিল খেলাপি, যেমন ধরুন আপনার ইলেকট্রিসিটি বিল, ভূমি কর, ওয়াসা-এ ধরনের যেসব সেবা প্রদানকারী সংস্থা, সেখানে যদি কোনো বিল খেলাপি থাকে সেটা ব্যক্তিগত হতে পারে বা প্রাতিষ্ঠানিক হতে পারে। ধরুন আমি একটা প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার কিন্তু আমার প্রতিষ্ঠানটাই বিল খেলাপি। সেক্ষেত্রে এটা অযোগ্যতা হিসেবে আসবে। লাভজনক পদে থেকে নির্বাচন করা যাবে না। আবার দ্বৈত নাগরিকত্বধারী যারা, তাদেরও আমরা মনে করি, কমিশন মনে করে যে তাদেরও নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ নেই। আপনারা জানেন সংবিধানে এটার একটা সীমাবদ্ধতা দেওয়া আছে।

তিনি আরও বলেন, আইন সংশোধনের বিষয়গুলো আমরা এখন স্থানীয় সরকার বিভাগে প্রস্তাব পাঠাবো। তারা উপযুক্ত মনে করলে ব্যবস্থা নেবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আইন কি আজই চূড়ান্ত করছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা চূড়ান্ত করার এখতিয়ার রাখি না। আমরা আইনের কিছু প্রস্তাবনা বা সুপারিশ করছি। চূড়ান্ত করার দায়িত্ব তো স্থানীয় সরকার বিভাগ বা জাতীয় সংসদের।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে কি পরিবর্তন আসছে? সবগুলোর ভেতর সশস্ত্র বাহিনীকে অন্তর্ভুক্ত করা।
প্রস্তাবনা কবে পাঠাবেন-এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, যত তাড়াতাড়ি পারি। কাল-পরশু তৈরি হয়ে গেলে পাঠিয়ে দেবো।

এমওএস/এএমএ