সুবর্ণচরে পাওনা টাকা আদায়ে এক অটোরিকশাচালককে তুলে নিয়ে দুদিন শিকলে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। পরে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করা হয়। শনিবার বিকাল ৪টার দিকে উপজেলার চরমজিদ ভূঁইয়ারহাট এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। ভুক্তভোগী মো. রিপন ভোলার মনপুরা উপজেলার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি সুবর্ণচরের চরমজিদ ভূঁইয়ারহাট এলাকায় বসবাস করেন। অভিযুক্ত আবুল কাশেম ওরফে কেদা কাশেম একই এলাকার বাসিন্দা। জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে রিপন ও কাশেম যৌথভাবে ছাগলের ব্যবসা করতেন। একপর্যায়ে রিপনের কাছে কাশেমের প্রায় এক লাখ ৭০ হাজার টাকা পাওনা হয়। বর্তমানে রিপন নোয়াখালী সদর উপজেলায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। অভিযোগ রয়েছে, এক বছর ধরে পাওনা টাকা পরিশোধ না করায় কাশেম তাকে সদর উপজেলা থেকে তুলে নিয়ে সুবর্ণচরের ভূঁইয়ারহাট এলাকার একটি বাড়িতে আটকে রাখেন। সেখানে তার পায়ে শিকল বেঁধে দুদিন ধরে নির্যাতন করা হয় এবং অর্ধাহারে-অনাহারে রাখা হয় বলে ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন। তবে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত আবুল কাশেম ওরফে কেদা কাশেমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। চরজব্বার থানার ওসি মো. রফিকুল হাসান বলেন, ভুক্তভোগীর ভাষ্যমতে পাওনা টাকা আদায়ের জন্য তাকে তুলে নিয়ে শিকলে বেঁধে আটকে রাখা হয়েছিল। খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।








