গাজীপুরের টঙ্গীবাজার হাজীর মাজার বস্তিতে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা কয়েকটি চিহ্নিত মাদকের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়েছে গাজীপুর মেট্রোপলিটন প্রশাসন ও রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। আজ সোমবার সকাল থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ অভিযান চলে।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন রাজউকের উপপরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-৩) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. লিটন সরকার।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজউকের উপপরিচালক (এস্টেট-২) আসাদুজ্জামান বিশ্বাস, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. বেলায়েত হোসেন, উপপুলিশ কমিশনার (অপরাধ দক্ষিণ) এস এম শফিকুল ইসলাম এবং টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আরিফুর রহমানসহ প্রশাসন ও রাজউকের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা।
পুলিশ জানায়, টঙ্গীর হাজীর মাজার বস্তির বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে কয়েকটি মাদকের আস্তানা গড়ে তুলে একটি চক্র গণহারে মাদক সেবন ও কেনাবেচা করে আসছিল। প্রতিদিন শত শত তরুণ-যুবক মাদক সেবন ও কেনাবেচার জন্য ওই বস্তিতে আসত।
পুলিশের ভাষ্য, এর আগে কয়েকবার পুলিশ ও যৌথ বাহিনী অভিযান চালালেও মাদকসেবী ও কারবারিরা দমেনি। এ কারণে চিহ্নিত মাদকের আস্তানাগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযান শুরু হয়েছে।
মাজার বস্তি এলাকায় এক ব্রিফিংয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকার অপরাধীরা অপরাধ করে হাজীর মাজার বস্তিতে এসে আশ্রয় নেয়।’
মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘ইতিপূর্বে এ মাজার বস্তিতে প্রায় ১০ বার অভিযান চালানো হয়েছিল। অভিযানকালে বেশ কয়েকটি মাদকের আস্তানা চিহ্নিত করা হয়। আজ থেকে চিহ্নিত মাদকের আস্তানাগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া শুরু হলো। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।’








