বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জামায়াত ইসলামীকে ইঙ্গিত করে বলেছেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন যাদের সঙ্গে রাজনীতি করেছি, তারা কেমন যেন অচেনা হয়ে গেছে। সংসদে এক ভাষায় কথা বলেন, সংসদের বাইরে কথা বলেন আরেক ভাষায়। আল্লাহপাক ধৈর্য্যশীলদের পছন্দ করেন। কিন্তু তাদের ধৈর্য্য সইছে না। তারা চাইছে পাঁচ মাসেই সরকার পরিবর্তন করতে। এটি কখনোই সম্ভব না। কেননা দেশের জনগণ অনেক আকাক্ষা; অনেক স্বপ্ন নিয়ে তারেক রহমানকে ক্ষমতায় বসিয়েছেন। তাই বলবো প্রতি মুহূর্তে ধর্মের গল্প না দিয়ে, ইসলামকে যদি চরিত্রে ধারণ করেন, হৃদয়ে ধারণ করেন, তাহলে বলবো, ধৈর্য্য ধারণ করেন।
শনিবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যায় যশোর শহরের চৌরাস্তা মোড়ে গণহত্যাকারী শেখ হাসিনাসহ তার দোসরদের বিচারের দাবিতে গণসমাবেশ তিনি এ কথা বলেন। যশোর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল এ সমাবেশের আয়োজন করে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করেছিল। বিএনপি চার মাসের মধ্যে ১১৭টি অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করেছে। যে কয়েকটি অধ্যাদেশ আইনে পরিণত হয়নি; বিএনপি একটি বারের জন্যও বলেনি অধ্যাদেশগুলো আইনে পরিণত করবে না। বিএনপি মনে করছে বাকীগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মানবাধিকার, গুম হত্যার শিকার অন্য দলের চেয়ে বেশি শিকার বিএনপির নেতাকর্মীরা। ফলে এমন গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ আরও যাচাই-বাছাই শেষে আইনে পরিণত করবে এই সরকার।
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোস্তফা আমীর ফয়সালের সভাপতিত্বে গণসমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম।
গণসমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী এমপি। সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন-জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহসভাপতি ইয়াসিন আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব আনছারুল হক রানা, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কামরুজ্জামান বাপ্পী প্রমুখ। সমাবেশ সঞ্চালনা করেন জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সদস্য সচিব রাজিদুর রহমান সাগর।
মিলন রহমান/এএইচ








