আন্তর্জাতিক বাজারে টানা তৃতীয় দিনের মতো বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) তেলের দাম কমেছে। হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনায় অগ্রগতি হওয়ায় এই দরপতন ঘটছে। বৃহস্পতিবার রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে ব্রেন্ট ফিউচারস ব্যারেল প্রতি ৬৬ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৯২ শতাংশ কমে ৭০ দশমিক ৯১ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট অপরিশোধিত তেলের দাম ৫৯ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৮৬ শতাংশ কমে ব্যারেল প্রতি ৬৭ দশমিক ৯৯ ডলারে নেমে এসেছে। এই দর ২৭ ফেব্রুয়ারির পর সর্বনিম্ন।
জুনে যুদ্ধ স্থগিতকারী সমঝোতা স্মারক সম্পর্কিত বিষয়ে আলোচনায় ‘ইতিবাচক অগ্রগতি’ হয়েছে বলে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র এক্স-এ একটি পোস্টে জানিয়েছেন। অবশ্য উভয় পক্ষ স্থায়ী শান্তির দিকে কোনো অগ্রগতি করেছে এমন কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি।
ইউবিএস-এর বিশ্লেষক জিওভানি স্টাউনোভো বলেছেন, “উপসাগর থেকে আটকে পড়া ট্যাংকারগুলোর বেরিয়ে আসার কারণে প্রণালি দিয়ে তেলের প্রবাহ পুনরুদ্ধার হওয়ায় তা তেলের দামের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। এই অতিরিক্ত সরবরাহ আপাতত তেলের জন্য একটি প্রতিকূল পরিস্থিতি তৈরি করেছে।”
কাতারের মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ৯ জুলাইয়ের জানাজা মিছিলের পর ইরান ও মার্কিন আলোচকদের মধ্যে পরবর্তী বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
ইরানের দুজন ঊর্ধ্বতন সূত্র জানিয়েছে, প্রণালিটির ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ এবং উপসাগরে প্রবেশ বা প্রস্থানকারী জাহাজের ওপর শুল্ক আরোপের সক্ষমতার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনে ইরান দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, এমনকি যদি তা বলপ্রয়োগের মাধ্যমেও করতে হয়।








