‘বিচ্ছু’তে মেসি ও নেইমারের কাল্পনিক সাক্ষাৎকার প্রকাশের পর এবার দৌড়াতে দৌড়াতে বিচ্ছু দপ্তরে হাজির হলেন ফরাসি ফুটবল তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। সাক্ষাৎকারের জন্য থামতে বললে তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন-থামা যাবে না, দৌড়ের মধ্যেই প্রশ্ন করুন। আমি থামলে প্রতিপক্ষ ভাববে ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে গেছে! অবশেষে দৌড়ের সঙ্গেই তাল মিলিয়ে এমবাপ্পের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন-মাহবুবুর রশিদ

বিচ্ছু : এমবাপ্পে ভাই, কেমন আছেন?

এমবাপ্পে : এই তো দেখছেন, দৌড়ের ওপরেই আছি। আমার জীবনে এখন কথা একটাই-দৌড়, দৌড় আর দৌড়।

বিচ্ছু : এখন একটু থামেন, আপনার ইন্টারভিউটা নিয়ে নিই।

এমবাপ্পে : থামা যাবে না, দৌড়ের মধ্যেই প্রশ্ন করুন। আমি থামলে প্রতিপক্ষ ভাববে ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে গেছে! যা বলার দৌড়ের মধ্যেই বলুন।

বিচ্ছু : আপনার দৌড়ের গতি এত বেশি! অলিম্পিকের দৌড় প্রতিযোগিতায় না গিয়ে ফুটবলে কেন এলেন?

এমবাপ্পে : বুঝেন না, ফুটবলে আয়-রোজগার একটু বেশি ভালো তো তাই!

বিচ্ছু : অনেকেই বলেন আপনি মাঠে উঠপাখির মতো দ্রুত দৌড়ান!

এমবাপ্পে : উঠপাখি শুধু দৌড়ায়, আমি দৌড়ে গোলও করি। এইবার বোঝেন আমি উটপাখির চেয়েও এক কাঠি সরেস!

বিচ্ছু : বিশ্বকাপে আপনার গোল্ডেন বুট জেতার সম্ভাবনা নিয়ে ভক্তরা অনেক আশাবাদী।

এমবাপ্পে : আমিও আশাবাদী। তবে মুরুব্বি মেসিরে নিয়া হালকা সমস্যায় আছি।

বিচ্ছু : শুনেছি আপনি অনেক চাপের মধ্যে থাকেন?

এমবাপ্পে : চাপকে আমি ভয় পাই না। বরং চাপই আমার জ্বালানি। অন্যরা পেট্রোলে চলে, আমি চলি চাপের পেট্রোলে!

বিচ্ছু : এত দৌড়ান, পায়ে ব্যথা-ট্যথা করে না?

এমবাপ্পে : করে তো! তবে পায়ে ব্যথা করলে তো আর হাত দিয়ে দৌড়ানো যাবে না। তাই পায়ের যত্ন নিই, কারণ আমার আসল ইঞ্জিন তো ওটাই।

বিচ্ছু : শেষ প্রশ্ন-আপনি কি এখন একটু থামবেন?

এমবাপ্পে : অবশ্যই থামব। আপনি আগে বাঁশি বাজান।