ধর্ষণের ঘটনা না ঘটলেও মিথ্যা অভিযোগে লিটন মোদক (৪৫) নামে এক যুবককে সালিশে মারধর ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানার ঘটনা ঘটেছে। ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার কুরাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ভিকটিম হিসাবে যার নাম প্রচার করা হয়েছে সেই কিশোরী লিটনকে নির্দোষ দাবি করে। এরপর পুলিশ যুবককে ছেড়ে দেয়।
নান্দাইল মডেল থানার ওসি আজহারুল ইসলাম জানান, ধর্ষণের গুজবে লিটনকে আটক করা হয়েছিল। কিশোরী ও তার অভিভাবকের দেওয়া তথ্যে অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয়। তাই লিটনকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
৩ জুলাই লিটন গাছ থেকে লটকন পাড়তে যান। সেখানে লাকড়ি কুড়াতে আসে প্রতিবেশী কিশোরী। লটকন নষ্ট হবে ভেবে লিটন তাকে চলে যেতে বলেন। এরপর খলিল মিয়া নামে এক ব্যক্তি গ্রামে রটিয়ে দেয়, লিটন কিশোরীকে ধর্ষণ করেছে।
৪ জুলাই কুরাটি নদীরপাড় বাজারে মন্টু খাঁ, গ্রাম্য চিকিৎসক হাবিবুল্লাহসহ মাতব্বররা সালিশ বসায়। সেখানে ভুক্তভোগী বা তার পরিবারের কেউ উপস্থিত ছিল না। সালিশে লিটনকে বেঁধে মারধর করা হয়। মারধর ও পুলিশের ভয়ে লিটন অপরাধ স্বীকার করেন। তখন তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ওই রাতে পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। ৫ জুলাই কিশোরীকে উদ্ধার করে থানায় আনা হলে সে জানায়, অভিযোগটি মিথ্যা; লিটনকে সে তার দাদার মতো শ্রদ্ধা করে। কিশোরী খলিলের শাস্তি দাবি করেছে। এ ঘটনার পর খলিল পলাতক রয়েছে।








