শেষ ষোলোতে তারকা এক ফুটবলারকে ছাড়াই মাঠে নামতে হতো যুক্তরাষ্ট্রকে। আগামীকাল সিয়াটলে বাংলাদেশ সময় সকালে হতে যাওয়া ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিপক্ষ বেলজিয়াম। কিন্তু নকআউট পর্বের ম্যাচের আগমুহূর্তে বদলে গেল সিদ্ধান্ত। তাতে তোপের মুখে পড়েছে ফিফা।

সানফ্রান্সিসকোতে গত ২ জুলাই বসনিয়ার বিপক্ষে শেষ বত্রিশের ম্যাচে লাল কার্ড দেখেন যুক্তরাষ্ট্রের তারকা ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগান। ফলে স্বাভাবিকভাবেই তিনি এক ম্যাচ নিষিদ্ধ এবং শেষ ষোলোতে বেলজিয়াম ম্যাচে তাঁর খেলার কথা না। অথচ সেই শাস্তি কার্যকর হওয়ার আগেই স্থগিত করে দিল ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এরপর ফিফাকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন। বিশ্ব ফুটবলের অভিভাবক সংস্থার এমন কর্মকাণ্ড নিয়ে উয়েফা আজ এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘গতকাল ফুটবলার ফোলারিন বালোগানকে লাল কার্ডের কারণে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আরোপিত এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার কার্যকারিতা এক বছরের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে ফিফা সীমা অতিক্রম করেছে।’

গতকাল বালোগানের ওপর থেকে শাস্তি তুলে নেয় ফিফা। এক বিবৃতিতে বিশ্ব ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা বলেছে, ‘ফিফা ডিসিপ্লিনারি কোডের ২৭ নম্বর অনুচ্ছেদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার কার্যকর হওয়া এক বছরের পরীক্ষামূলক সময়ের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে।’

তবে বালোগান ফের অপরাধ করলে ফিফা শাস্তির ব্যাপারটি ভেবে দেখবে। বিশ্ব ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা বলেছে, ‘যদি ফোলারিন বালোগান পরীক্ষামূলক সময়ের মধ্যে একই ধরনের ও একই মাত্রার আরেকটি অপরাধ করেন, তাহলে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হবে এবং বর্তমান শাস্তি কার্যকর হবে। নতুন অপরাধের জন্য আরোপিত অতিরিক্ত শাস্তির বাইরে এই শাস্তিও কার্যকর হবে।’

বালোগান শেষ বত্রিশে বসনিয়া ডিফেন্ডার তারিক মুহারেমোভিচকে করা এক ট্যাকলের জন্য প্রথমে হলুদ কার্ডও দেখেননি। পরে ভিডিও সহকারী রেফারির (ভিএআর) পরামর্শে রিপ্লে দেখে রেফারি সিদ্ধান্ত বদলে তাঁকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান। সেই সিদ্ধান্তের পরই শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। এবার বালোগানের ওপর থেকে তুলে নেওয়া হলো নিষেধাজ্ঞা। চলতি বিশ্বকাপে তিনি তিন ম্যাচে করেছেন ৩ গোল।