শরীয়তপুরের নড়িয়ায় নিজ মেয়েকে যৌন হয়রানি ও ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে বাবা শহীদুল ইসলাম দেওয়ানকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে শহীদুলকে আদালতে পাঠায় পুলিশ। এর আগে বুধবার রাতে তাকে আটক করা হয়।
ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগ ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শহিদুল ইসলাম দেওয়ানের তিনটি মেয়ে ও একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। তার স্ত্রী মারা যাওয়ার পর গত দুই বছর আগে ছোট মেয়েকে বিয়ে দেন তিনি। স্বামী প্রবাসে থাকায় বাবার বাড়িতে থাকতেন মেয়ে। এদিকে ঘরে একা থাকার সুযোগে শহিদুল ইসলাম দেওয়ান তার মেয়েকে বিভিন্ন সময় যৌন হয়রানি ও ধর্ষণের চেষ্টা করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি কাউকে বলতে না পারলেও কয়েকদিন আগে কৌশলে বাবার এমন কর্মকাণ্ডের ভিডিও ধারণ করেন মেয়ে। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের জানালে তারা অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
ভুক্তভোগী ওই মেয়ে অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার বাবা দীর্ঘদিন যাবত আমাকে যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণের চেষ্টা করতো। কিছু বললে সে আমাকে মারধর করতো আর ভয়ভীতি দেখাতো। আমি তার অশ্লীল অঙ্গভঙ্গির বেশকিছু ভিডিও মোবাইলে ধারণ করে রেখেছি। এক পর্যায়ে সহ্য করতে না পেরে স্থানীয়দের বিষয়টি জানিয়েছি। আমি তার কঠিন বিচার চাই।’
এ ব্যাপারে নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহার মিয়া বলেন, ‘ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ’
বিধান মজুমদার অনি/কেজে/জেআইএম








