ফরিদপুরের ভাঙা এলাকায় ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের পাশের ফুটপাত ও সার্ভিস লেন সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফুটপাতজুড়ে ময়লার স্তূপ ও ঝোপঝাড় জন্মানোয় সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়ে মূল মহাসড়ক দিয়ে চলাচল করছেন। এতে একদিকে যেমন দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে, অন্যদিকে পচা ময়লার দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন পথচারীরা।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এক্সপ্রেসওয়ে চালু হওয়ার পর থেকে ভাঙার মালি গ্রামসহ আশপাশের প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকায় ফুটপাত পরিষ্কার বা রক্ষণাবেক্ষণ করেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফুটপাতের ওপর দীর্ঘদিনের জমে থাকা ময়লা ও বড় বড় ঘাস-লতাপাতায় পথ চেনার উপায় নেই। ফলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দ্রুতগতির যানবাহনের পাশ দিয়েই হাঁটতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।মালি গ্রামের ভ্যানচালক মনি বলেন, ‘রাস্তা হওয়ার পর থেকে এই পাশের রাস্তা কেউ কোনো দিন পরিষ্কার করেনি। ঝোপঝাড়ে ভরে গেছে, হাঁটার জায়গা নেই। তাই আমরা মূল রাস্তার ওপর দিয়ে যেতে বাধ্য হই। এতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে।’ অটোরিকশাচালক কামাল জানান, ফুটপাত পরিষ্কার থাকলে তারা নিরাপদে গাড়ি চালাতে পারতেন, এখন সবসময় দুর্ঘটনার আতঙ্কে থাকতে হয়।এলাকাবাসীর অভিযোগ, এই মহাসড়ক থেকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ টোল আদায় করা হলেও জননিরাপত্তার বিষয়টি উপেক্ষিত। মালি গ্রাম এলাকায় ফুটপাতের বেহাল দশা সবচেয়ে বেশি।এ বিষয়ে ফরিদপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মিন্টু দেব বলেন, ‘এই এক্সপ্রেসওয়েটি দেখাশোনার দায়িত্ব মুন্সিগঞ্জ সড়ক বিভাগের। এটি আমাদের ফরিদপুর সওজ-এর আওতাধীন নয়।’ তবে পথচারীদের দুর্ভোগ কমাতে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে বলে তিনি জানান।/