খাগড়াছড়ি জেলায় বুধবার (৮ জুলাই) রাত থেকে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে আসায় চেঙ্গী নদীতে পানি কিছুটা কমলেও মাইনী নদীতে বৃদ্ধি পেয়েছে।
জেলা সদরের কয়েকটি নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতার আংশিক উন্নতি হলেও বেতছড়ি মার্মাপাড়া, বিচিতলা, লার্মাপাড়া ও বটতলার কিছু এলাকায় এখনো পানি জমে রয়েছে।
দুই দিনেও জেলার সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়নি। দীঘিনালা উপজেলার কবাখালী ও মেরুং এলাকায় সড়ক পানির নিচে তলিয়ে থাকায় দীঘিনালা-লংগদু, দীঘিনালা-বাঘাইছড়ি এবং দীঘিনালা-সাজেক সড়কে এখনো যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে সাজেকের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং পর্যটন কেন্দ্রে চার শতাধিক পর্যটক আটকা রয়েছেন।
মহালছড়ি উপজেলার মাইসছড়ি কালোপাহাড় জামতলী এলাকায় ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সড়ক প্লাবিত হওয়ায় গত রাত থেকে খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি সড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
টানা কয়েক দিনের থেমে থেমে বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে জেলার নিচু এলাকা টানা চতুর্থ দিনের মতো জলাবদ্ধ রয়েছে। বন্যা ও পাহাড়ধসের আশঙ্কায় জেলায় ১৩৫টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। দীঘিনালার কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্রে কিছু পরিবার আশ্রয় নিয়েছে।
জেলা প্রশাসক আনোয়ার সাদাত জানান, বন্যা ও পাহাড়ধসের ঝুঁকি এড়াতে ক্ষতিগ্রস্তদের আশ্রয়কেন্দ্রে উঠার আহ্বান জানানো হয়েছে। আশ্রিতদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। জেলায় বিভিন্ন উপজেলায় আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ২ হাজার ৫০০ পরিবারের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়েছে।
এছাড়া পানিবন্দি আছে এমন পরিবারের খবর পেলে তাদের কাছে খাবার পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।








