১৭ দিনেও খোঁজ মেলেনি চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর আকবর হোসেনের। গত ২৭ জুন বিকেল ৪টার দিকে নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন হাজীপাড়ার ভাড়া বাসা থেকে বের হয়ে তিনি আর ফেরেননি। তাঁর খোঁজ না পাওয়ায় উদ্বেগ উৎকণ্ঠায় রয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

আকবর হোসেনের নিখোঁজের বিষয়ে গত ২ জুলাই তার ছেলে আসলাম হোসেন ইমন বায়েজিদ বোস্তামী থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন।

নিখোঁজ আকবর হোসেন বোয়ালখালী উপজেলার সারোয়াতলী ইউনিয়নের কঞ্জুরী গ্রামের প্রয়াত জাকের হোসেনের ছেলে। পেশায় রিকশাচালক আকবর হোসেনের স্ত্রী, ২ ছেলে ও ২ মেয়ে রয়েছেন।

আরও পড়ুন

নিখোঁজ মিরাজ শেখকে ১৫ দিনের মধ্যে হাজির করতে হাইকোর্টের নির্দেশ

নিখোঁজ আকবরের শ্যালক দিদার জাগো নিউজকে বলেন, অনেকদিন হয়ে গেছে আকবরের খোঁজ নেই। আমরা অনেক জায়গায় গিয়েছি, কোথাও খোঁজ পাইনি। আমার ভাগিনা ইমনকে নিয়ে পুলিশ ফেনীতে গিয়েছিল একটি মরদেহ দেখতে। কিন্তু ওই মরদেহ আমার দুলাভাইয়ের নয়। আবার দুলাভাইয়ের ব্যবহৃত মোবাইলটি পুলিশ ট্র্যাক করে ২৭ জুলাই ফেনী পর্যন্ত খোলা দেখেছে। এরপর মোবাইলটি বন্ধ হয়ে যায় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

নিখোঁজের ছেলে আসলাম হোসেন ইমন বলেন, আমার বাবা ২৭ জুন বিকেলে ঘর থেকে বের হয়েছিলেন। পরনে শার্ট ও প্যান্ট ছিল। গায়ের রঙ শ্যামলা। ১৭ দিন পেরিয়ে গেছে এখনো কোনো খোঁজ পাইনি। তার খোঁজ না পাওয়ায় আমরা উদ্বেগ উৎকণ্ঠায় দিনাতিপাত করছি।

আরও পড়ুন

মাগুরা / ‘বিরক্ত হয়ে নিখোঁজ’ মাদরাসাছাত্রী, পুলিশের তৎপরতায় উদ্ধার

ইমনের করা সাধারণ ডায়েরিটি তদন্ত করছেন বায়েজিদ বোস্তামী থানার উপ-পরিদর্শক সাজেদুল ইসলাম সোহাগ। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে কথা হলে তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘নিখোঁজ আকবর হোসেনের সন্ধানে আমরা অনেক কাজ করেছি। কিন্তু কোনো ক্লু পাওয়া যাচ্ছে না। নিখোঁজ হওয়ার পর তার মোবাইল সর্বশেষ ফেনী এলাকা পর্যন্ত খোলা ছিল। এরপর বন্ধ হয়ে যায়। তাছাড়া ওই মোবাইলে এই সময়ে এমন কারও সঙ্গে তার কথাও হয়নি। ফলে আমাদের তদন্তে বেগ পেতে হচ্ছে। তারপরেও আল্লাহ ভরসা। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।’

এমডিআইএইচ/এমএমকে