কয়েক দিনের টানা বর্ষণে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে মওলানা ভাসানী সেতুর সংযোগ সড়কের একাংশে ধস দেখা দিয়েছে। এতে সড়কে বড় ধরনের গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। যা স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয়দের দাবি, সেতুর সংযোগ সড়কে ধসের বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত; যাতে ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।

জানা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) নির্মিত দেশের সর্ববৃহৎ প্রকল্প মওলানা ভাসানী সেতু ও সংযোগ সড়ক। নির্মাণকাজের ব্যয় ধরা হয়েছিল ৯২৫ কোটি টাকা। সেতুর দৈর্ঘ্য ৪৯০ মিটার এবং প্রস্থ ৯ দশমিক ৬ মিটার। অর্থায়ন করেছে বাংলাদেশ সরকার (জিওবি), সৌদি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্ট।

জানতে চাইলে স্থানীয় বাসিন্দা মো. জয়নাল আবেদিন (৫৬) বলেন, ‘দেশের কোটি কোটি টাকা খরচ হয়েছে এই সেতু ও সড়ক নির্মাণে। দুই-তিন দিনের বৃষ্টির পানিতেই যদি সেই সড়ক ধসে যায়, তাহলে তারা কী কাজ করেছেন? এ ধস দেখার পর থেকে আমাদের ভীষণ ভয় হচ্ছে।’

সড়ক পাকাকরণ কাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা উপসহকারী প্রকৌশলী কাজী মাহবুবুর রহমান মিলন বলেন, ‘মওলানা ভাসানী সেতুর উত্তর প্রান্তের শহরের মোড় নামক স্থানের সংযোগ সড়কে ধস দেখা দিয়েছে। বিষয়টি দেখেছি। ঠিকাদারকে বলাও হয়েছে।’

উপজেলা প্রকৌশলী তপন কুমার চক্রবর্তী বলেন, ‘কাজে কোনো গাফিলতি হয়নি। ইঁদুরের গর্ত দিয়ে পানি প্রবেশ করায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে, তবে ভয়ের কোনো কারণ নেই।’

জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলাম সংযোগ সড়কে গর্ত তৈরির বিষয়টিকে স্বাভাবিক (সিম্পল) বলে মন্তব্য করেছেন।