বাগেরহাটের রামপালে দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা খানজাহান আলী বিমানবন্দর প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছে চীনা একটি প্রতিনিধি দল।

শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেলে তারা বিমানবন্দরের জন্য নির্ধারিত স্থান ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রায় ৩০ বছর আগে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া খানজাহান আলী বিমানবন্দর প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। সে সময় প্রকল্পের জন্য ৭৫ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। পরে বিভিন্ন জটিলতায় প্রকল্পের কাজ আর এগোয়নি।

পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিমানবন্দর নির্মাণের জন্য আরও ৫০০ একরের বেশি জমি অধিগ্রহণ করা হয়। প্রকল্প এলাকায় সীমানা প্রাচীর নির্মাণ ও আংশিক ভরাটের কাজও সম্পন্ন হয়। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হলেও কোনো প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগে আগ্রহ না দেখানোয় নির্মাণকাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি।

পরিদর্শনকালে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, বিমানবন্দরটি নির্মিত হলে এই অঞ্চলের অর্থনীতি সমৃদ্ধি হবে। আমাদের মোংলা বন্দরের সক্ষমতা আরও বাড়বে। সুনীল অর্থনীতি, ইপিজেড, অর্থনৈতিক জোন, সুন্দরবনকে ঘিরে পর্যটন, পণ্য পরিবহনসহ দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে।

চীনা প্রতিনিধি মি. পিটার বিমানবন্দর পরিদর্শন শেষে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, আমি প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছি। সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করবো এবং আমরা আন্তরিক।

এসময় খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) প্রশাসক ও খুলনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা, বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, চীনা কোম্পানির প্রতিনিধি দলে সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আবু হোসাইন সুমন/কেএইচকে