২০১৭ সাল থেকে ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকলেও আদালতে মামলার কারণে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আগামী ২ জুলাই মামলার রায় হলে জুলাই মাস থেকেই নতুন শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
রবিবার (২৮ জুন) সিলেট শিক্ষা বোর্ড এবং সিলেট অঞ্চলের মাদরাসা ও কারিগরি বোর্ডের কেন্দ্র প্রধানদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে এই সভার আয়োজন করা হয়।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, ২০১৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হয়নি। এর মধ্যে আরো ১৭ হাজার শিক্ষক অবসরে চলে গেছেন। সহকারী শিক্ষকেরা প্রধান শিক্ষক পদে উন্নীত হতে পারছেন না শুধু আদালতে বিচারাধীন একটি মামলার কারণে।
ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, মামলা হলেই শিক্ষা ব্যবস্থা আটকে যায়। কিন্তু এই শিক্ষা ব্যবস্থা সবার জন্য প্রয়োজন। আদালত ও বিচারকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, বিচারকেরাও শিক্ষাকে গুরুত্ব দেন, আমরাও দিই। কিন্তু কোন কারণে এভাবে মামলার জটে শিক্ষক নিয়োগ আটকে আছে, তা বোধগম্য নয়।
তিনি জানান, আগামী ২ জুলাই মামলার রায় হওয়ার কথা রয়েছে। রায় অনুকূলে এলে জুলাই থেকেই নতুন শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা যাবে বলে আশা করছেন তিনি।








