একবার গোল বাতিল, আরেকবার ক্রসবারে লেগে ফিরে আসা হেড। দ্বিতীয়ার্ধজুড়ে একের পর এক আক্রমণে ইংল্যান্ডের রক্ষণকে ব্যস্ত রেখেও জয়ের গোলটি আর পায়নি নরওয়ে। তবে ইংল্যান্ডও শেষ দিকে বুকায়ো সাকার তৈরি করা বড় একটি সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। ফলে মায়ামিতে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে নরওয়ে ও ইংল্যান্ড ১–১ সমতায়, সেমিফাইনালে ওঠার লড়াই গড়িয়েছে অতিরিক্ত সময়ে।
ম্যাচের শুরুতে বলের দখল ছিল ইংল্যান্ডের। কয়েকটি আক্রমণ গড়ে তুললেও এগিয়ে যেতে পারেনি টমাস টুখেলের দল। বরং প্রথম বড় সুযোগ থেকেই গোলের দেখা পায় নরওয়ে।
৬ মিনিটে মার্টিন ওডেগার্ডের পাস পেয়ে বাঁ দিক দিয়ে বক্সে ঢোকেন আন্দ্রেয়াস শেলডেরুপ। তাঁর বাঁ পায়ের বুলেট গতির শট পোস্টে লেগে জালে জড়িয়ে গেলে এগিয়ে যায় নরওয়ে।
তবে বিরতির আগেই সমতায় ফেরে ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের পাস ধরে বক্সে ঢুকে বাঁ পায়ের শটে ওরিয়ান নাইল্যান্ডকে পরাস্ত করেন জুড বেলিংহাম।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল নরওয়ের হাতেই। ৫৫ মিনিটে কর্নার থেকে তোরবিয়র্ন হেগেম বল জালে জড়ালেও আরলিং হালান্ডের ফাউলের কারণে ভিএআরের সাহায্যে গোল বাতিল করেন রেফারি। এরপর অস্কার বব, আন্তোনিও নুসা ও আরলিং হালান্ডকে ঘিরে একের পর এক আক্রমণ চালায় নরওয়ে। ৭৬ মিনিটে কর্নার থেকে ক্রিস্টোফার ভাসবাক আজারের হেড ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বলে হালান্ডের শটও পাশের জালে লাগে।
শেষ দিকে বুকায়ো সাকার ক্রস থেকে ইংল্যান্ডও জয়ের সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু ফ্রেডরিক আউরেস্নেসের গুরুত্বপূর্ণ ক্লিয়ারেন্সে রক্ষা পায় নরওয়ে। ফলে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে আর কোনো গোল না হওয়ায় ম্যাচ গড়িয়েছে অতিরিক্ত সময়ে।








