চাপের মুহূর্তেও অবিচল ছিলেন মোহামেদ সালাহ। পেনালটি শুটআউটে ‘পানেঙ্কা’ শট নেওয়ার সিদ্ধান্ত তিনি নিয়েছিলেন একেবারে শেষ মুহূর্তে। ম্যাচ শেষে নিজেই জানিয়েছেন, কঠিন পরিস্থিতিতে সাহস দেখাতেই এমন ঝুঁকিপূর্ণ শট বেছে নেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে শুক্রবার রাতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শেষ ৩২ এর ম্যাচ ১-১ সমতায় শেষ হয়। পরে টাইব্রেকারে ৪-২ ব্যবধানে জয় পায় মিসর। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জয় তুলে ইতিহাস গড়ে আফ্রিকার দল। কোয়ার্টার ফাইনালে ৭ জুলাই তাদের প্রতিপক্ষ হবে আর্জেন্টিনা।
৩৪ বছর বয়সি মিসর অধিনায়ক সালাহ হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে পুরোপুরি ফিট না থাকলেও ১২০ মিনিটই খেলেন। এরপর টাইব্রেকারে তৃতীয় শটে এগিয়ে এসে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ‘পানেঙ্কা’ শটে গোল করেন তিনি। ম্যাচ শেষে সালাহ বলেন, ‘যদি কেউ এমন মুহূর্তে দায়িত্ব নিতে পারে, তবে সেটা আমি। আমি অভিজ্ঞ। চাইছিলাম সতীর্থদের আত্মবিশ্বাস জোগাতে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম একেবারে শেষ মুহূর্তে। মনে হয়েছিল, এটাই সঠিক সময়।’ বিশ্বকাপে প্রথমবার নকআউট জয়ের পর সালাহ একে ‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ হিসাবে বর্ণনা করেন। পাশাপাশি সতীর্থদের এই অর্জন উপভোগ করার আহ্বান জানান তিনি। সালাহ বলেন, ‘আমি সব সময় চেষ্টা করি প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করতে। কারণ এসব মুহূর্ত আর ফিরে আসে না।’
সাফল্যের মধ্যেও সতর্ক থাকার বার্তা দিয়েছেন মিসর অধিনায়ক। তার ভাষায়, ‘এটাকে কখনো হালকাভাবে নেওয়া যাবে না। মিসর আগে কখনো গ্রুপপর্বের পরের ধাপে যেতে পারেনি, নকআউটেও জয় পায়নি। তাই এটি আমাদের জন্য সত্যিই বিশেষ একটি অর্জন।’ আক্রমণভাগে সালাহর সঙ্গে ছিলেন ম্যানচেস্টার সিটির ফরোয়ার্ড ওমর মারমুশ। বিশ্বকাপে একটি গোল ও দুটি অ্যাসিস্ট করা সালাহই ঐতিহাসিক জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।








