বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক শিপিং চার্জ, কনটেইনার পরিবহন ব্যয় এবং মেরিন ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা গেছে। এতে আমদানি ও রপ্তানি উভয় ক্ষেত্রেই ব্যয় বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্য (এমপি) মো. রেজাউল করিম বাদশার এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন
চামড়া শিল্পে সংকট রোধে সংসদে আলোচনা, বাণিজ্যমন্ত্রীর নানা আশ্বাস
খন্দকার আবদুল মুক্তাদির আরও বলেন, বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্যে প্রধানত তৈরি পোশাক, ওষুধ, হোম টেক্সটাইল, চামড়াজাত পণ্য, খাদ্য ও কৃষিপণ্য রপ্তানি করা হয়। পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির ফলে প্রতিযোগিতা কমার ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছিল। কিন্তু এই ঝুঁকি কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছিল বাংলাদেশ।
রপ্তানি খাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির ফলে তৈরি পোশাকের উৎপাদন খরচ বাড়বে। আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতার ওপর চাপ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি লোহিত সাগর ও সুয়েজ খালকেন্দ্রিক নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রমুখী রপ্তানি পণ্য পরিবহনেও বিঘ্ন ঘটতে পারে।
আরও পড়ুন
দ্রব্যমূল্য নিয়ে ‘সাউন্ড বাইট’ নয়, কাজ করে দেখাবো: বাণিজ্যমন্ত্রী
আমদানি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, কাঁচামাল, শিল্প উপকরণ এবং জ্বালানি আমদানিতে অতিরিক্ত ব্যয় সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি পরিবহন ব্যাহত হলে বিকল্প উৎস থেকে অধিক মূল্যে জ্বালানি সংগ্রহ করতে হতে পারে।
এমওএস/এমএমকে








