২০০৪ সাল থেকে চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে কর্মসংস্থানের জন্য যাওয়া বাংলাদেশি কর্মীদের সংখ্যা ১ কোটি ৯ লাখ ১৮ হাজার ৪ জন বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। এদের একটি বড় অংশ দেশে ফেরত এসেছে এবং এই ফেরত আসা কর্মীর তথ্য না থাকায় বর্তমানে বিদেশে কর্মরত কর্মীর সঠিক সংখ্যার তথ্য সরকারের কাছে নেই বলেও জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. আব্দুল গফুরের এক প্রশ্নের উত্তরে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী এসব তথ্য জানান ৷ স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
আরও পড়ুন
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশ পিছিয়ে, এগিয়ে ইন্দোনেশিয়া
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের জন্য অনেকেই গমন করে থাকে। বিএমইটিতে ২০০৪ সালে বিদেশগামী কর্মীদের তথ্য সম্বলিত একটি ডেটাবেজ চালু করা হয়। বিএমইটির সার্ভারের তথ্যানুসারে ২০০৪ সাল থেকে চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের জন্য গমনকৃত বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা ১ কোটি ৯ লাখ ১৮ হাজার ৪ জন। তবে বৈদেশিক কর্মসংস্থান শেষে এদের একটি বড় অংশ দেশে ফেরত এসেছে। বিদেশ ফেরত এসব কর্মীর তথ্য না থাকায় বর্তমানে কর্মরত কর্মীর সঠিক সংখ্যা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এরই মধ্যে ফেরত আসা কর্মীদের তথ্য আদান-প্রদানের নিমিত্তে বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) সঙ্গে বিএমইটির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। ভবিষ্যতে এ সংক্রান্ত তথ্য প্রদান করা সম্ভব হবে।
আরও পড়ুন
মালয়েশিয়ায় ১৪ প্রবাসী শ্রমিকের বেতন নিয়ে উধাও সুপারভাইজার
মন্ত্রী বলেন, বিদেশে কর্মী প্রেরণ একটি চলমান প্রক্রিয়া। এ খাতের গুরুত্ব বিবেচনায় সরকার নির্বাচনি ইশতেহারে এ খাতের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছে। দেশের শিক্ষিত ও দক্ষ বেকার যুব সমাজের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বেকারত্ব হ্রাসে সরকারের ২০২৬-৩০ মেয়াদে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে ‘সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন পরিকল্পনা (কর্মকৌশল)’ নামে স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মকৌশল প্রণয়ন করা হয়েছে।
এমওএস/এমএমকে








