বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়ায় প্রথমবারের মতো অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপজেলা ও থানা সঞ্জীবন আনসার প্লাটুনের স্বেচ্ছাসেবী সদস্যরা।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুরে অনুষ্ঠিত মহড়া পরিদর্শন করেন বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ।
পরিদর্শনকালে তিনি সেনাবাহিনী ও আনসার-ভিডিপির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং মহড়ার বিভিন্ন অপারেশনাল কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা মহড়ার কৌশলগত পরিকল্পনা, উদ্দেশ্য, অগ্রগতি এবং অংশগ্রহণকারী সদস্যদের প্রস্তুতি ও সক্ষমতা সম্পর্কে তাকে অবহিত করেন।
ছবি: সংগৃহীত
আনসার-ভিডিপির মহাপরিচালক মহড়ার সার্বিক ব্যবস্থাপনা, শৃঙ্খলা, আন্তঃবাহিনী সমন্বয় এবং অংশগ্রহণকারী সদস্যদের পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এ ধরনের যৌথ মহড়া জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি বিভিন্ন বাহিনীর মধ্যে সমন্বয়, পারস্পরিক আস্থা এবং অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আরও পড়ুন
সাভার সেনানিবাসে গ্রীষ্মকালীন ক্যাম্প পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ দিনব্যাপী গ্রীষ্মকালীন মহড়া-২০২৬ গত ৫ জুলাই শুরু হয়েছে। আগামী ১৪ জুলাই পর্যন্ত দেশের সব ডিভিশনে একযোগে এ মহড়া চলবে।
মহড়ায় অংশগ্রহণের আগে আনসার সদস্যদের প্রচলিত ও অপ্রচলিত যুদ্ধকৌশল বিষয়ে তিন দিনের বিশেষ অন দ্য জব ট্রেনিং (ওজেটি) দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণে রেইড, অ্যাম্বুশ, ফার্ম বেস স্থাপনসহ বিভিন্ন মাইনর অপারেশনের বাস্তবভিত্তিক অনুশীলন অন্তর্ভুক্ত ছিল।
আরও পড়ুন
সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করলেন সেনাপ্রধান
বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রবর্তিত ‘পিপলস ওয়ারফেয়ার ডকট্রিন’ এর আলোকে জনগণভিত্তিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই অংশগ্রহণ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বর্তমান আনসার-ভিডিপির মহাপরিচালকের নেতৃত্বে উপজেলা ও থানা সঞ্জীবন আনসার প্লাটুনগুলোকে পুনর্গঠন ও শক্তিশালী করা হয়েছে, যার ধারাবাহিকতায় সেনাবাহিনীর এই মহড়ায় তাদের অন্তর্ভুক্তি সম্ভব হয়েছে।
পরিদর্শনকালে ঢাকা মহানগর আনসারের (ডিএমএ) পরিচালক আসাদুজ্জামান গণীসহ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
টিটি/এমএমকে








