সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, তিনি দুই বছর ধরে কারাগারে আছেন। চার মাস আগে তাঁর স্বামীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। স্বামীর কাছে থাকার জন্য তিনি জামিনের আবেদন করেছিলেন। কিন্তু ৩৯ বছরের জীবনসঙ্গীর জীবনের শেষ সময়ে তাঁর পাশে থাকতে পারেননি। এখন আর তাঁর বাসায় যাওয়ার প্রয়োজন নেই। তাই তিনি আর জামিন চান না।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আজ বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ হাজির করা হয় দীপু মনিকে। শুনানির একপর্যায়ে ট্রাইব্যুনালের অনুমতি নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। আজ তাঁর জামিন শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল।
দীপু মনি বলেন, তাঁর স্বামী সাত বছর ধরে শয্যাশায়ী ছিলেন। কথা বলার শক্তিও ছিল না। তিনি কিছু বললে স্বামী চোখের পলক ফেলে উত্তর দিতেন। দুবছর বাড়ি ছেড়ে তাঁর স্বামীকে অজ্ঞাত স্থানে থাকতে হয়েছে। এ কারণে স্বামীর যত্নও নিতে পারেননি তিনি। যার কারণে এ জীবন তিনি মেনে নিতে পারেননি।
দীপু মনির বক্তব্যের পর ট্রাইব্যুনাল বলেন, তাঁরা বিষয়টিতে খুবই ব্যথিত। তাঁর আবেদনের যৌক্তিকতা আছে। তবে তাঁদের আরও অনেক বিষয় বিবেচনায় নিতে হয়।
পরে দীপু মনির জামিন শুনানির জন্য আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর পরবর্তী দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।
এর আগে, গত ১৮ আগস্ট দীপু মনির স্বামীর মৃত্যুর পর তাঁকে ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়।








